<?xml version="1.0"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="bn">
	<id>https://bn.wikipasokh.com/api.php?action=feedcontributions&amp;feedformat=atom&amp;user=Zarvandi</id>
	<title>WikiPasokh - ব্যবহারকারীর অবদান [bn]</title>
	<link rel="self" type="application/atom+xml" href="https://bn.wikipasokh.com/api.php?action=feedcontributions&amp;feedformat=atom&amp;user=Zarvandi"/>
	<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/view/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B7:%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8/Zarvandi"/>
	<updated>2026-05-28T11:57:13Z</updated>
	<subtitle>ব্যবহারকারীর অবদান</subtitle>
	<generator>MediaWiki 1.43.3</generator>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%88%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0_(%E0%A6%86.)_%E0%A6%89%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE&amp;diff=213</id>
		<title>হযরত ঈসার (আ.) উসিলায় দোয়া করা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%88%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0_(%E0%A6%86.)_%E0%A6%89%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE&amp;diff=213"/>
		<updated>2023-05-27T09:22:40Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;হযরত ঈসার (আ.) উসিলায় কি দোয়া করা যাবে?&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
তাওয়াসসুল হল ‘কোন (পবিত্র) বস্তু বা ব্যক্তির উসিলা দিয়ে মহান আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করা’; ঐ প্রার্থনা প্রতিপালকের নৈকট্য লাভের আশায় হতে পারে, আবার কোন চাওয়া পূরণেও হতে পারে। আল্লাহর নবিগণ (আ.) হলেন মহান আল্লাহর নিকট বিশেষ সম্মানের অধিকারী ব্যক্তিগণের অন্যতম, তাই তাদের উসিলা দিয়ে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা সম্ভব। অতএব, যেহেতু হযরত ঈসা (আ.) আল্লাহর একজন নবি এবং তাঁর সালেহ বান্দাগণের একজন তাই তার উসিলায়  মহান আল্লাহকে ডাকা বা আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করা চাওয়া জায়েয।&lt;br /&gt;
তাওয়াসসুলের ক্ষেত্রে মুসলমানরা প্রার্থনা পূরণকারী হিসেবে একমাত্র মহান আল্লাহকেই জানে। আল্লাহর ওলিদের নিকট তাওয়াসসুলকারী মুসলমানদের চাওয়া শুধু এতটুকুই যে, তাঁরা যেন তাদের প্রার্থনা পূরণে মহান আল্লাহর নিকট সুপারিশ করেন। অতএব, কারো নিকট দোয়া চাওয়া এই অর্থে নয় যে, দোয়া কবুল হওয়ার বিষয়ে আল্লাহ ব্যতীত তাদের হাত রয়েছে বরং এ বিষয়ের স্বীকারোক্তি যে, প্রার্থনা পূরণকারী একমাত্র সত্তা হলেন মহান আল্লাহ সুবহানু ওয়া তায়ালা।.[1] &lt;br /&gt;
সূরা মায়িদাহ’র ৩৫নং আয়াতে এসেছে: &lt;br /&gt;
{{inline quran|یَا أَیُّهَا الَّذِینَ آمَنُواْ اتَّقُواْ اللّهَ وَابْتَغُواْ إِلَیهِ الْوَسِیلَه|translation= ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং তার দিকে উসিলা অন্বেষণ করো...।’}}[2] &lt;br /&gt;
যেহেতু আয়াতে ‘ওয়াসিলা’ শব্দটিতে কোন শর্তারোপ করা হয়নি তাই মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে সহায়তাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে এমন সবকিছু এর শামিল হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==গ্রন্থসূত্র==&lt;br /&gt;
[1] মাকারেম শিরাজি, নাসের ও সহযোগীরা, তাফসীরে নেমুনেহ, এন্তেশারাতে দারুল কুতুবিল ইসলামিয়্যাহ, তেহরান, খণ্ড ৪, পৃ. ৩৬৫-৩৭০; রুহানি, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ কাযেম, শাফাআত ওয়া তাওয়াসসুল, নাশরে মাআরেফ, কোম, ১৩৮৩ সৌরবর্ষ, পৃ. ৬২।.&lt;br /&gt;
[2] রুহানি, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ কাযেম, শাফাআত ওয়া তাওয়াসসুল, নাশরে মাআরেফ, কোম, ১৩৮৩ সৌরবর্ষ, পৃ. ৫০।.&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[fa:توسل به حضرت عیسی(ع)]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%88%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0_(%E0%A6%86.)_%E0%A6%89%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE&amp;diff=212</id>
		<title>হযরত ঈসার (আ.) উসিলায় দোয়া করা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%88%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0_(%E0%A6%86.)_%E0%A6%89%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE&amp;diff=212"/>
		<updated>2023-05-27T09:21:48Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;হযরত ঈসার (আ.) উসিলায় কি দোয়া করা যাবে?&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
তাওয়াসসুল হল ‘কোন (পবিত্র) বস্তু বা ব্যক্তির উসিলা দিয়ে মহান আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করা’; ঐ প্রার্থনা প্রতিপালকের নৈকট্য লাভের আশায় হতে পারে, আবার কোন চাওয়া পূরণেও হতে পারে। আল্লাহর নবিগণ (আ.) হলেন মহান আল্লাহর নিকট বিশেষ সম্মানের অধিকারী ব্যক্তিগণের অন্যতম, তাই তাদের উসিলা দিয়ে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা সম্ভব। অতএব, যেহেতু হযরত ঈসা (আ.) আল্লাহর একজন নবি এবং তাঁর সালেহ বান্দাগণের একজন তাই তার উসিলায়  মহান আল্লাহকে ডাকা বা আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করা চাওয়া জায়েয।&lt;br /&gt;
তাওয়াসসুলের ক্ষেত্রে মুসলমানরা প্রার্থনা পূরণকারী হিসেবে একমাত্র মহান আল্লাহকেই জানে। আল্লাহর ওলিদের নিকট তাওয়াসসুলকারী মুসলমানদের চাওয়া শুধু এতটুকুই যে, তাঁরা যেন তাদের প্রার্থনা পূরণে মহান আল্লাহর নিকট সুপারিশ করেন। অতএব, কারো নিকট দোয়া চাওয়া এই অর্থে নয় যে, দোয়া কবুল হওয়ার বিষয়ে আল্লাহ ব্যতীত তাদের হাত রয়েছে বরং এ বিষয়ের স্বীকারোক্তি যে, প্রার্থনা পূরণকারী একমাত্র সত্তা হলেন মহান আল্লাহ সুবহানু ওয়া তায়ালা।.[1] &lt;br /&gt;
সূরা মায়িদাহ’র ৩৫নং আয়াতে এসেছে: &lt;br /&gt;
{{inline quran|یَا أَیُّهَا الَّذِینَ آمَنُواْ اتَّقُواْ اللّهَ وَابْتَغُواْ إِلَیهِ الْوَسِیلَه|translation= ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং তার দিকে উসিলা অন্বেষণ করো...।’}}[2] &lt;br /&gt;
যেহেতু আয়াতে ‘ওয়াসিলা’ শব্দটিতে কোন শর্তারোপ করা হয়নি তাই মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে সহায়তাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে এমন সবকিছু এর শামিল হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==গ্রন্থসূত্র==&lt;br /&gt;
[1] মাকারেম শিরাজি, নাসের ও সহযোগীরা, তাফসীরে নেমুনেহ, এন্তেশারাতে দারুল কুতুবিল ইসলামিয়্যাহ, তেহরান, খণ্ড ৪, পৃ. ৩৬৫-৩৭০; রুহানি, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ কাযেম, শাফাআত ওয়া তাওয়াসসুল, নাশরে মাআরেফ, কোম, ১৩৮৩ সৌরবর্ষ, পৃ. ৬২।.&lt;br /&gt;
[2] রুহানি, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ কাযেম, শাফাআত ওয়া তাওয়াসসুল, নাশরে মাআরেফ, কোম, ১৩৮৩ সৌরবর্ষ, পৃ. ৫০।.&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%88%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0_(%E0%A6%86.)_%E0%A6%89%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE&amp;diff=211</id>
		<title>হযরত ঈসার (আ.) উসিলায় দোয়া করা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%88%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B0_(%E0%A6%86.)_%E0%A6%89%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%A6%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE_%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A6%BE&amp;diff=211"/>
		<updated>2023-05-27T09:20:19Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;হযরত ঈসার (আ.) উসিলায় কি দোয়া করা যাবে?&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
তাওয়াসসুল হল ‘কোন (পবিত্র) বস্তু বা ব্যক্তির উসিলা দিয়ে মহান আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করা’; ঐ প্রার্থনা প্রতিপালকের নৈকট্য লাভের আশায় হতে পারে, আবার কোন চাওয়া পূরণেও হতে পারে। আল্লাহর নবিগণ (আ.) হলেন মহান আল্লাহর নিকট বিশেষ সম্মানের অধিকারী ব্যক্তিগণের অন্যতম, তাই তাদের উসিলা দিয়ে মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করা সম্ভব। অতএব, যেহেতু হযরত ঈসা (আ.) আল্লাহর একজন নবি এবং তাঁর সালেহ বান্দাগণের একজন তাই তার উসিলায়  মহান আল্লাহকে ডাকা বা আল্লাহর কাছে কিছু প্রার্থনা করা চাওয়া জায়েয।&lt;br /&gt;
তাওয়াসসুলের ক্ষেত্রে মুসলমানরা প্রার্থনা পূরণকারী হিসেবে একমাত্র মহান আল্লাহকেই জানে। আল্লাহর ওলিদের নিকট তাওয়াসসুলকারী মুসলমানদের চাওয়া শুধু এতটুকুই যে, তাঁরা যেন তাদের প্রার্থনা পূরণে মহান আল্লাহর নিকট সুপারিশ করেন। অতএব, কারো নিকট দোয়া চাওয়া এই অর্থে নয় যে, দোয়া কবুল হওয়ার বিষয়ে আল্লাহ ব্যতীত তাদের হাত রয়েছে বরং এ বিষয়ের স্বীকারোক্তি যে, প্রার্থনা পূরণকারী একমাত্র সত্তা হলেন মহান আল্লাহ সুবহানু ওয়া তায়ালা। [মাকারেম শিরাজি, নাসের ও সহযোগীরা, তাফসীরে নেমুনেহ, এন্তেশারাতে দারুল কুতুবিল ইসলামিয়্যাহ, তেহরান, খণ্ড ৪, পৃ. ৩৬৫-৩৭০; রুহানি, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ কাযেম, শাফাআত ওয়া তাওয়াসসুল, নাশরে মাআরেফ, কোম, ১৩৮৩ সৌরবর্ষ, পৃ. ৬২।] [2] &lt;br /&gt;
সূরা মায়িদাহ’র ৩৫নং আয়াতে এসেছে: {{inline quran|یَا أَیُّهَا الَّذِینَ آمَنُواْ اتَّقُواْ اللّهَ وَابْتَغُواْ إِلَیهِ الْوَسِیلَه|translation= ‘হে ঈমানদারগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং তার দিকে উসিলা অন্বেষণ করো...।’}}&lt;br /&gt;
যেহেতু আয়াতে ‘ওয়াসিলা’ শব্দটিতে কোন শর্তারোপ করা হয়নি তাই মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে সহায়তাকারীর ভূমিকা পালন করতে পারে এমন সবকিছু এর শামিল হতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==গ্রন্থসূত্র==&lt;br /&gt;
[2] রুহানি, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ কাযেম, শাফাআত ওয়া তাওয়াসসুল, নাশরে মাআরেফ, কোম, ১৩৮৩ সৌরবর্ষ, পৃ. ৫০।.&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%B0_(%E0%A6%86.)_%E0%A6%AB%E0%A6%AF%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%A4&amp;diff=210</id>
		<title>আহলে সুন্নতের ভাষায় হযরত আলীর (আ.) ফযিলত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%B0_(%E0%A6%86.)_%E0%A6%AB%E0%A6%AF%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%A4&amp;diff=210"/>
		<updated>2023-05-27T09:14:54Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;: আহলে সুন্নতের দৃষ্টিকোণ থেকে হযরত আলীর (আ.) ফজিলত বর্ণনা করুন&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হযরত আলীর (আ.) ফযিলত; শিয়া ও সুন্নি সূত্রসমূহে বর্ণিত হয়েছে।  আহলে সুন্নতের মতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আয়াতের শানে নুযুল হযরত আলীর সাথে সম্পৃক্ত, এছাড়া তারা পবিত্র কুরআনে ‘সালেহুল মু’মিনীন’, ‘সাদিকীন’ ও ‘খাইরুল বারিয়াহ’ ইত্যাদি পরিভাষার বাস্তব দৃষ্টান্ত হিসেবে হযরত ইমাম আলীর (আ.) নাম উল্লেখ করেছেন। নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন সুন্নি সূত্রে আল্লাহর রাসূল (স.) থেকে হযরত আলীর (আ.) শানে বহু সংখ্যক হাদীস বর্ণিত হয়েছে যেগুলোতে ‘তিনি সর্বদা সত্যের সাথে’ এবং ‘কিয়ামতের দিন জনগণের জন্য তিনি হজ্জাত স্বরূপ’ বলে পরিচয় করানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সুন্নি মুফাসসিরদের দৃষ্টিতে পবিত্র কুরআনে ইমাম আলীর (আ.) ফজিলত==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুন্নি মুফাসসিরগণের মতে, পবিত্র কুরআনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আয়াতে ইমাম আলীর (আ.) ফজিলত বর্ণিত হয়েছে বলে মনে করেন: &lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) বলেছেন: আলী ইবনে আবি তালিব পবিত্র কুরআনের কারামাত (মহানুভবতা, উদারতা) সম্পর্কিত সবগুলো আয়াতের অন্তর্ভুক্ত।[মুহাম্মাদ সালেহ হুসাইনি তিরমিযি, মানাকেবে মুর্ত্তাযাভি, পৃ. ১৯, ১৩১২ হিজরীতে বোম্বে প্রকাশিত।] &lt;br /&gt;
* যখন সূরা তাহরিমের ৪নং আয়াত -আল্লাহ, জীবরাইল ও নেককার মু’মিনগণ, তার সাহায্যকারী- অবতীর্ণ হল তখন মহানবি (স.) আলীকে (আ.) নেককার মু’মিন বলে আখ্যায়িত করেন।[ইবনে মাগাযেলী, মানাকেবে আলী ইবনে আবি তালীব, পৃ. ২৬৯, হাদীস নং ৩১৬, মাকতাবাতুল ইসলামিয়্যাহ প্রকাশণী, ১৪০২ হিজরী।]&lt;br /&gt;
* যে আয়াতটিতে মু’মিনদেরকে সত্যবাদীদের সঙ্গী হওয়ার বিষয়ে তাগিদ প্রদান করা হয়েছে।[সূরা তাওবাহ : ১১৯] তার ব্যাখ্যায় মহানবি (স.) বলেছেন এখানে সাদেকীন ও সত্যবাদীগণ হল আলী ও তার সঙ্গীরা।[হাকিম আল-হাসকানী, শাওয়াহেদুত তানযীল, খণ্ড ২, পৃ. ৩৪১, তেহরান, ইরশাদুল ইসলামি প্রকাশনী, ১৪১১ হিজরী।]&lt;br /&gt;
* যখন আয়াত অবতীর্ণ হল এবং মহানবিকে (স.) উম্মতের জন্য সতর্ককারী উল্লেখ করে বলা হল যে, প্রতিটি দলের জন্য হেদায়েতকারী থাকবে।[রাআদ : ৭।] তখন মহানবি (স.) নিজের বুকে হাত রেখে নিজেকে উম্মতের জন্য সতর্ককারী হিসেবে পরিচয় করালেন,  অতঃপর আলীর (আ.) দিকে ইঙ্গিত করে তাকে উম্মতের হেদায়েতকারী হিসেবে আখ্যায়িত করলেন।[ইবনে শীরাভাইহ দেইলামি, ফিরদাউসুল আখবার, খণ্ড ১, পৃ. ৭৫, দারুল কুতুবুল আরাবি প্রকাশনী, ১৪০৭ হিজরী।]&lt;br /&gt;
* মহানবি (সা.) থেকে বর্ণিত হাদীসে, হযরত আলীকে (আ.) ‘যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারাই সৃষ্টির সেরা।’[৭] শীর্ষক আয়াতের বাস্তব দৃষ্টান্ত বলে আখ্যায়িত করেছেন।[শাওয়াহেদুত তানযীল, খণ্ড ২, পৃ. ৪৫৯।] &lt;br /&gt;
* সূরা আ’রাফের ১৮১নং আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর মহানবি (স.) হেদায়েতপ্রাপ্ত দল হিসেবে আলী (আ.) ও তার অনুসারীগণকে পরিচয় করিয়েছেন।[সুলায়মান ইবনে ইব্রাহিম কান্দুযী হানাফী, ইয়ানাবিউল মাওয়াদ্দাহ, খণ্ড ১, পৃ. ১২৮, কোম, শারিফ রাযি প্রকাশনী, ১৪১৩ হিজরী।]&lt;br /&gt;
* وَالسَّابِقُونَ السَّابِقُونَ، أُولئِک الْمُقَرَّبُونَ ‘আর অগ্রগামীগণ তো অগ্রগামী, তারাই নৈকট্যপ্রাপ্ত, নি’মাতে পরিপূর্ণ জান্নাতে’[ওয়াকিয়াহ : ১০-১২] -এ আয়াতগুলো অবতীর্ণ হওয়ার পর মহানবি (সা.) জীবরাইল (আ.) থেকে বর্ণনা করেন যে, এখানে আলী ও তার শিয়া (অনুসারী)-দেরকে বোঝানো হয়েছে, যারা বেহেশতে প্রবেশের ক্ষেত্রে অগ্রগামী হবে এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করবে।[সিবতে ইবনে জাওযি, তাযকিরাতুল খাওয়াছ, পৃ. ১৭, ইনতেশারাতে নাইনাভা, তেহরান।]&lt;br /&gt;
* ইকমালে দ্বীনের আয়াত, লাইলাতুল মাবিতের আয়াত, রুকুতে যাকাত প্রদানের আয়াত, মুবাহালা’র আয়াত ইত্যাদি ইমাম আলীর (আ.) শানে নাযিল হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ইমাম আলীর (আ.) ফজিলতে বর্ণিত রেওয়ায়েতসমূহ==&lt;br /&gt;
আহলে সুন্নাতের বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য গ্রন্থে হযরত ইমাম আলীর (আ.) শানে বহু সংখ্যক রেওয়ায়েত উল্লেখিত হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি এখানে উল্লেখ করা হল: &lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) বলেছেন: ‘আমার সাথে আলীর সম্পর্ক হল; যেমন শরীরের সাথে মাথার সম্পর্ক’।[আবু বাকার আহমাদ ইবনে আলী আল-খাতিব বাগদাদী, খণ্ড ৭, পৃ. ১২, তারিখে বাগদাদ বৈরুত, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ।]&lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) থেকে বর্ণিত অপর এক রেওয়ায়েতে আলীকে সর্বোত্তম মানব হিসেবে পরিচয় করানো হয়েছে এবং যে তাকে গ্রহণ না করবে তাকে কাফের বলা হয়েছে।[ফিরদাউসুল আখবার, খণ্ড ৩, পৃ. ৮৯।]&lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) তাবুকের যুদ্ধের ঘটনায় মদিনা ত্যাগের প্রাক্কালে তাঁর নিকট ইমাম আলীর (আ.) মর্যাদা প্রসঙ্গে বলেন: আলীর অবস্থান আমার নিকট ঠিক তেমন যেমন ছিল মুসার নিকট হারুনের, শুধু ব্যতিক্রম হল আমার পরে আর কোন নবি আসবে না।[তারিখে বাগদাদ, খণ্ড ১১, পৃ. ৪৩২।]&lt;br /&gt;
* মহানবির (স.) সাথে বসে থাকা আনাস বিন মালিক বর্ণনা করেন, আলী (আ.) এলেন, এ সময় মহানবি (স.) বললেন: ‘কিয়ামতের দিন আমি ও আলী হলাম উম্মতের হুজ্জাত’।[তারিখে বাগদাদ, খণ্ড ২, পৃ. ৮৮।]&lt;br /&gt;
* উম্মুল মু’মিনীন উম্মু সালামাহ থেকে বর্ণিত যে, মহানবি (স.) বলেছেন: যে ব্যক্তি আলীকে গালী দেয় সে আমাকে গালী দিল, আর যে, আমাকে গালী দেয় নিশ্চিতভাবে সে আল্লাহকে গালী দিল।[ইবনে হিসামুদ্দীন হিন্দি, কানযুল উম্মাল, খণ্ড ১১, পৃ. ৬০২, হাদীস নং ৩২৯০৩, বৈরুত, মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ১৪১৩ হিজরী।]&lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) থেকে ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেন তিনি বলেছেন: ‘আলীর ভালবাসা গুনাহসমূহকে মুছে ফেলে যেভাবে আগুন কাঠকে ধ্বংস করে দেয়।[তারিখে বাগদাদ, খণ্ড ৪, পৃ. ১৯৫]&lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) বলেছেন: আলী হল হকের (সত্য) সাথে আর হক হল আলীর সাথে। হাউযে কাউসারে আমার সাথে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত এরা পরস্পর থেকে আলাদা হবে না।[ইবনে আবি বাকর হাইসামী, মাজমাউয যাওয়ায়েদ, খণ্ড ৯, পৃ. ১৩৪, বৈরুত, দারুল কুতুবুল আরাবি, ১৪০২ হিজরী।]&lt;br /&gt;
{{answer end}}&lt;br /&gt;
[[fa:فضایل امام علی(ع) در کلام اهل‌سنت]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%B0_(%E0%A6%86.)_%E0%A6%AB%E0%A6%AF%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%A4&amp;diff=209</id>
		<title>আহলে সুন্নতের ভাষায় হযরত আলীর (আ.) ফযিলত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC_%E0%A6%B9%E0%A6%AF%E0%A6%B0%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%80%E0%A6%B0_(%E0%A6%86.)_%E0%A6%AB%E0%A6%AF%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%A4&amp;diff=209"/>
		<updated>2023-05-27T09:14:05Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;: আহলে সুন্নতের দৃষ্টিকোণ থেকে হযরত আলীর (আ.) ফজিলত বর্ণনা করুন&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
হযরত আলীর (আ.) ফযিলত; শিয়া ও সুন্নি সূত্রসমূহে বর্ণিত হয়েছে।  আহলে সুন্নতের মতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আয়াতের শানে নুযুল হযরত আলীর সাথে সম্পৃক্ত, এছাড়া তারা পবিত্র কুরআনে ‘সালেহুল মু’মিনীন’, ‘সাদিকীন’ ও ‘খাইরুল বারিয়াহ’ ইত্যাদি পরিভাষার বাস্তব দৃষ্টান্ত হিসেবে হযরত ইমাম আলীর (আ.) নাম উল্লেখ করেছেন। নির্ভরযোগ্য বিভিন্ন সুন্নি সূত্রে আল্লাহর রাসূল (স.) থেকে হযরত আলীর (আ.) শানে বহু সংখ্যক হাদীস বর্ণিত হয়েছে যেগুলোতে ‘তিনি সর্বদা সত্যের সাথে’ এবং ‘কিয়ামতের দিন জনগণের জন্য তিনি হজ্জাত স্বরূপ’ বলে পরিচয় করানো হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সুন্নি মুফাসসিরদের দৃষ্টিতে পবিত্র কুরআনে ইমাম আলীর (আ.) ফজিলত==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
সুন্নি মুফাসসিরগণের মতে, পবিত্র কুরআনের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক আয়াতে ইমাম আলীর (আ.) ফজিলত বর্ণিত হয়েছে বলে মনে করেন: &lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) বলেছেন: আলী ইবনে আবি তালিব পবিত্র কুরআনের কারামাত (মহানুভবতা, উদারতা) সম্পর্কিত সবগুলো আয়াতের অন্তর্ভুক্ত।[মুহাম্মাদ সালেহ হুসাইনি তিরমিযি, মানাকেবে মুর্ত্তাযাভি, পৃ. ১৯, ১৩১২ হিজরীতে বোম্বে প্রকাশিত।] &lt;br /&gt;
* যখন সূরা তাহরিমের ৪নং আয়াত -আল্লাহ, জীবরাইল ও নেককার মু’মিনগণ, তার সাহায্যকারী- অবতীর্ণ হল তখন মহানবি (স.) আলীকে (আ.) নেককার মু’মিন বলে আখ্যায়িত করেন।[ইবনে মাগাযেলী, মানাকেবে আলী ইবনে আবি তালীব, পৃ. ২৬৯, হাদীস নং ৩১৬, মাকতাবাতুল ইসলামিয়্যাহ প্রকাশণী, ১৪০২ হিজরী।]&lt;br /&gt;
* যে আয়াতটিতে মু’মিনদেরকে সত্যবাদীদের সঙ্গী হওয়ার বিষয়ে তাগিদ প্রদান করা হয়েছে।[সূরা তাওবাহ : ১১৯] তার ব্যাখ্যায় মহানবি (স.) বলেছেন এখানে সাদেকীন ও সত্যবাদীগণ হল আলী ও তার সঙ্গীরা।[হাকিম আল-হাসকানী, শাওয়াহেদুত তানযীল, খণ্ড ২, পৃ. ৩৪১, তেহরান, ইরশাদুল ইসলামি প্রকাশনী, ১৪১১ হিজরী।]&lt;br /&gt;
* যখন আয়াত অবতীর্ণ হল এবং মহানবিকে (স.) উম্মতের জন্য সতর্ককারী উল্লেখ করে বলা হল যে, প্রতিটি দলের জন্য হেদায়েতকারী থাকবে।[রাআদ : ৭।] তখন মহানবি (স.) নিজের বুকে হাত রেখে নিজেকে উম্মতের জন্য সতর্ককারী হিসেবে পরিচয় করালেন,  অতঃপর আলীর (আ.) দিকে ইঙ্গিত করে তাকে উম্মতের হেদায়েতকারী হিসেবে আখ্যায়িত করলেন।[ইবনে শীরাভাইহ দেইলামি, ফিরদাউসুল আখবার, খণ্ড ১, পৃ. ৭৫, দারুল কুতুবুল আরাবি প্রকাশনী, ১৪০৭ হিজরী।]&lt;br /&gt;
* মহানবি (সা.) থেকে বর্ণিত হাদীসে, হযরত আলীকে (আ.) ‘যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারাই সৃষ্টির সেরা।’[৭] শীর্ষক আয়াতের বাস্তব দৃষ্টান্ত বলে আখ্যায়িত করেছেন।[শাওয়াহেদুত তানযীল, খণ্ড ২, পৃ. ৪৫৯।] &lt;br /&gt;
* সূরা আ’রাফের ১৮১নং আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর মহানবি (স.) হেদায়েতপ্রাপ্ত দল হিসেবে আলী (আ.) ও তার অনুসারীগণকে পরিচয় করিয়েছেন।[সুলায়মান ইবনে ইব্রাহিম কান্দুযী হানাফী, ইয়ানাবিউল মাওয়াদ্দাহ, খণ্ড ১, পৃ. ১২৮, কোম, শারিফ রাযি প্রকাশনী, ১৪১৩ হিজরী।]&lt;br /&gt;
* {{inline quran|وَالسَّابِقُونَ السَّابِقُونَ، أُولئِک الْمُقَرَّبُونَ|translation= ‘আর অগ্রগামীগণ তো অগ্রগামী, তারাই নৈকট্যপ্রাপ্ত, নি’মাতে পরিপূর্ণ জান্নাতে’।}}[ওয়াকিয়াহ : ১০-১২] -এ আয়াতগুলো অবতীর্ণ হওয়ার পর মহানবি (সা.) জীবরাইল (আ.) থেকে বর্ণনা করেন যে, এখানে আলী ও তার শিয়া (অনুসারী)-দেরকে বোঝানো হয়েছে, যারা বেহেশতে প্রবেশের ক্ষেত্রে অগ্রগামী হবে এবং মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভ করবে।[সিবতে ইবনে জাওযি, তাযকিরাতুল খাওয়াছ, পৃ. ১৭, ইনতেশারাতে নাইনাভা, তেহরান।]&lt;br /&gt;
* ইকমালে দ্বীনের আয়াত, লাইলাতুল মাবিতের আয়াত, রুকুতে যাকাত প্রদানের আয়াত, মুবাহালা’র আয়াত ইত্যাদি ইমাম আলীর (আ.) শানে নাযিল হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==ইমাম আলীর (আ.) ফজিলতে বর্ণিত রেওয়ায়েতসমূহ==&lt;br /&gt;
আহলে সুন্নাতের বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য গ্রন্থে হযরত ইমাম আলীর (আ.) শানে বহু সংখ্যক রেওয়ায়েত উল্লেখিত হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে কয়েকটি এখানে উল্লেখ করা হল: &lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) বলেছেন: ‘আমার সাথে আলীর সম্পর্ক হল; যেমন শরীরের সাথে মাথার সম্পর্ক’।[আবু বাকার আহমাদ ইবনে আলী আল-খাতিব বাগদাদী, খণ্ড ৭, পৃ. ১২, তারিখে বাগদাদ বৈরুত, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যাহ।]&lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) থেকে বর্ণিত অপর এক রেওয়ায়েতে আলীকে সর্বোত্তম মানব হিসেবে পরিচয় করানো হয়েছে এবং যে তাকে গ্রহণ না করবে তাকে কাফের বলা হয়েছে।[ফিরদাউসুল আখবার, খণ্ড ৩, পৃ. ৮৯।]&lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) তাবুকের যুদ্ধের ঘটনায় মদিনা ত্যাগের প্রাক্কালে তাঁর নিকট ইমাম আলীর (আ.) মর্যাদা প্রসঙ্গে বলেন: আলীর অবস্থান আমার নিকট ঠিক তেমন যেমন ছিল মুসার নিকট হারুনের, শুধু ব্যতিক্রম হল আমার পরে আর কোন নবি আসবে না।[তারিখে বাগদাদ, খণ্ড ১১, পৃ. ৪৩২।]&lt;br /&gt;
* মহানবির (স.) সাথে বসে থাকা আনাস বিন মালিক বর্ণনা করেন, আলী (আ.) এলেন, এ সময় মহানবি (স.) বললেন: ‘কিয়ামতের দিন আমি ও আলী হলাম উম্মতের হুজ্জাত’।[তারিখে বাগদাদ, খণ্ড ২, পৃ. ৮৮।]&lt;br /&gt;
* উম্মুল মু’মিনীন উম্মু সালামাহ থেকে বর্ণিত যে, মহানবি (স.) বলেছেন: যে ব্যক্তি আলীকে গালী দেয় সে আমাকে গালী দিল, আর যে, আমাকে গালী দেয় নিশ্চিতভাবে সে আল্লাহকে গালী দিল।[ইবনে হিসামুদ্দীন হিন্দি, কানযুল উম্মাল, খণ্ড ১১, পৃ. ৬০২, হাদীস নং ৩২৯০৩, বৈরুত, মুআসসাসাতুর রিসালাহ, ১৪১৩ হিজরী।]&lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) থেকে ইবনে আব্বাস বর্ণনা করেন তিনি বলেছেন: ‘আলীর ভালবাসা গুনাহসমূহকে মুছে ফেলে যেভাবে আগুন কাঠকে ধ্বংস করে দেয়।[তারিখে বাগদাদ, খণ্ড ৪, পৃ. ১৯৫]&lt;br /&gt;
* মহানবি (স.) বলেছেন: আলী হল হকের (সত্য) সাথে আর হক হল আলীর সাথে। হাউযে কাউসারে আমার সাথে মিলিত না হওয়া পর্যন্ত এরা পরস্পর থেকে আলাদা হবে না।[ইবনে আবি বাকর হাইসামী, মাজমাউয যাওয়ায়েদ, খণ্ড ৯, পৃ. ১৩৪, বৈরুত, দারুল কুতুবুল আরাবি, ১৪০২ হিজরী।]&lt;br /&gt;
{{answer end}}&lt;br /&gt;
[[fa:فضایل امام علی(ع) در کلام اهل‌سنت]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%A4_%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF_%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B&amp;diff=208</id>
		<title>আল্লাহ ব্যতীত অন্য কাউকে উসিলা বানানো</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9_%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%A4_%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF_%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%89%E0%A6%95%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BE_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8B&amp;diff=208"/>
		<updated>2023-05-27T09:09:08Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
নবি ও মাসুম (আ.)-গণকে উসিলা বানানো কি জায়েয?&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
মুসলিমগণ আল্লাহ্ ব্যতীত অপর কাউকে উসিলা বানানোর বিষয়টি ঐ শর্তে সঠিক বলে মনে করে যখন তা আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের পথে হয়ে থাকে। এছাড়াও, সাধারণ মুসলমান ও মুসলিম আলেমগণের কর্মপদ্ধতিও এমন ছিল যে, তারা মাসুমীন (আ.)-কে উসিলা বানাতেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল্লাহ্ ব্যতীত অন্য কাউকে উসিলা বানানো বলতে এখানে নবি ও ইমাম (আলাইহিমুস সালাম)-গণকে উসিলা বানানোর কথা বোঝানো হয়েছে; আল্লাহর নৈকট্য লাভের নিমিত্তে করা এই ধরনের তাওয়াসসুল ও আবেদন সম্পর্কে কুরআন ও হাদীসে বিশেষ তাগিদ প্রদান করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==উসিলা গ্রহণের আবশ্যকতা==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নির্দিষ্ট কোন ফলাফলে পৌঁছানোর লক্ষ্যে উসিলা তথা মাধ্যমের শরণাপন্ন হওয়া একটি অবধারিত বিষয়, এতে কোন সন্দেহের অবকাশ নেই। আধ্যাত্মিক উচ্চ মাকামে পৌঁছানোর লক্ষ্যে মহান আল্লাহ্ বিভিন্ন উসিলা নির্ধারণ করেছেন, মানুষ সেগুলোর শরণাপন্ন হয়ে সুউচ্চ মাকামে পৌঁছুতে পারে। এরই ভিত্তিতে পবিত্র কুরআনে এসেছে: {{inline quran|یا اَیُّهَا الَّذینَ آمَنُوا اتَّقُوا اللّهَ وَ اتْبَغُوا اِلیهِ الوَسیلَه وَ جاهِدُوا فی سَبیلِهِ لَعَلَّکُم تُفلِحوُن|translation=ওহে যারা ঈমান এনেছ! আল্লাহ্‌কে ভয়-শ্রদ্ধা করো, আর তাঁর দিকে উসিলা অন্বেষণ করো, আর তাঁর পথে জিহাদ করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।|sura=মায়িদাহ|verse=৩৫}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==কুরআন ও হাদীসে আল্লাহ ব্যতীত অপরকে উসিলা বানানো==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
‘উসিলা’ হলো, যা কিছু মানুষকে আল্লাহর নৈকট্য অর্জনে সহায়তা করে; এটা কখনো স্বয়ং মানুষের সাথে সম্পৃক্ত যেমন- তার জ্ঞান ও অবগতি, নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত, আল্লাহর পথে জিহাদ ইত্যাদি অথবা যাঁরা এ পথে মানুষের হাত ধরে উন্নতির পথে ধাবিত করেন তাঁদের সাথে সম্পৃক্ত। এ কারণে সূরা মায়িদার ৩৫নং আয়াতের তাফসীরে ইমাম আলী (আ.) বলেছেন: ((اَنَا وَسیلَتُهُ)) আমি হচ্ছে তার (প্রতি) উসিলা।[তাবাতাবাঈ, সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ হুসাইন, তাফসীরুল মীযান, খ. ৫, পৃ. ৩৩৩ ] আরও বলেছেন: ((تَقَرَّبُوا اِلیهِ بِالاِمام)) ‘ইমামের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করো।’ &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
পবিত্র কুরআনের বিভিন্ন আয়াতেও পূর্ববর্তী নবিগণ (আ.)-এর তাওয়াসসুলের দৃষ্টান্ত উল্লেখিত হয়েছে; যেমন: হযরত আদম (আ.) আহলে বাইত (আ.)-কে উসিলা বানিয়েছিলেন (বাকারাহ : ৩৭), হযরত ইয়াকুব (আ.)-এর প্রতি হযরত ইউসুফ (আ.)-এর ভ্রাতাগণের তাওয়াসসুল; হযরত ইউসুফ (আ.)-এর ভ্রাতাগণ নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে পিতার কাছে এসে তাদের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ইস্তাগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করার অনুরোধ করলে, জবাবে হযরত ইয়াকুবও (আ.) তাদের জন্য ইস্তিগফার করার প্রতিশ্রুতি দিলেন: {{inline quran|قَالُوا يَا أَبَانَا اسْتَغْفِرْ لَنَا ذُنُوبَنَا إِنَّا كُنَّا خَاطِئِينَ قَالَ سَوْفَ أَسْتَغْفِرُ لَكُمْ رَبِّي ۖ إِنَّهُ هُوَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ|translation=:তারা (ইয়াকুবের সন্তানরা) বললো: হে আমাদের পিতা! আমাদের গুনাহসমূহের মাফির জন্য প্রার্থনা করুন, নিঃসন্দেহে আমরাই দোষী। তিনি (ইয়াকুব) বললেন: আমি শিঘ্রই আমার প্রতিপালকের নিকট তোমাদের জন্য ক্ষমা চাইবো, নিশ্চয়ই তিনি অতি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু।|sura=ইউসুফ|verse=৯৭ ও ৯৮।}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
নবি ও ইমাম (আ.)-গণের প্রতি তাওয়াসসুল&lt;br /&gt;
মহানবি (স.)-এর প্রতি তাওয়াসসুলের বিষয়টি তাঁর জীবদ্দশাতেও ছিল এবং তাঁর ইন্তেকালের পরও রয়েছে। অনেকে মহানবি (স.)-এর কাছে এসে সাহায্য চাইতেন অথবা ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন করতেন এবং তাদের চাওয়া পূরণও হতো; বর্ণিত আছে, জনৈক বেদুঈন আরব মহানবির (স.) কাছে এসে কয়েক পংক্তি কবিতা আবৃতির পর আল্লাহর রাসূল (স.)-এর উসিলা দিয়ে মহান আল্লাহর নিকট বৃষ্টি প্রার্থনা করলেন। তার কবিতার শেষ লাইনটি এমন ছিল যে, &lt;br /&gt;
‘তোমার দিকে ধাবমান হওয়া ছাড়া আমাদের সামনে আর কোন পথ খোলা নেই, আল্লাহর নবির শরণাপন্ন হওয়া ব্যতীত মানুষ আর কোথায় বা যেতে পারে?’ &lt;br /&gt;
মহানবি (স.) অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে মিম্বরে উপবেশন করে দোয়া করলেন, অতঃপর প্রচুর বৃষ্টিপাত হলো।[কাশফুল ইরতিয়াব, পৃ. ৩১০।]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
একইভাবে সাধারণ মুসলমান এবং মুসলিম আলেমদের কর্মপদ্ধতিও এমন ছিল যে, তারা ইমাম (আ.)-গণকে উসিলা বানাতেন; আর ইমাম হুসাইন (আ.)-এর স্মরণে যে সকল শোক মজলিশ ও আযাদারীর আয়োজন করা হয়, এগুলোও একই ধারাতে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আধ্যাত্মিক সম্মানের অধিকারী ব্যক্তিদেরকে উসিলা বানানো==&lt;br /&gt;
মহান আল্লাহর নিকট যে সকল মু’মিন ও সালেহ (সৎকর্মশীর্ল) ব্যক্তিগণ বিশেষ সম্মান ও মাকামের অধিকারী এবং দুনিয়াতে উত্তমরূপে আধ্যাত্মিকতায় পূর্ণ জীবন-যাপন করেছেন, মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জন এবং পার্থিব প্রয়োজন মেটাতে আমরা তাদেরকে আমাদের এবং আল্লাহর মাঝে উসিলা বানাই; মহান আল্লাহকে তাঁদের পবিত্র রুহগুলোর উসিলায় কসম দেই যাতে ঐশী রহমত ও মাগফিরাতের শামিল হতে পারি।[হুসাইনি নাসাব, সাইয়্যেদ রেযা, শিয়া পাসুখ মি দেহাদ, দ্বিতীয় সংস্করণ, পৃ. ১৪৪।]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[fa:توسل به غیر خداوند]]&lt;br /&gt;
[[ar:التوسل بغیر الله تعالی]]&lt;br /&gt;
[[en:Tawassul to Non-God]]&lt;br /&gt;
[[es:Intermediación a otro que no sea Dios]]&lt;br /&gt;
[[ps:پرته له خدای باندی توسل]]&lt;br /&gt;
[[ur:انبیاء اور معصومین علیہم السلام سے توسل]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A4&amp;diff=207</id>
		<title>তাতহিরের আয়াতে উল্লিখিত আহলে বাইত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A4&amp;diff=207"/>
		<updated>2023-05-27T09:08:23Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: /* আয়াত */&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;তাতহিরের আয়াতে উল্লিখিত আহলে বাইত কারা? মহানবির (স.) পত্নীগণ কি এ আয়াতের অন্তর্ভুক্ত?&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তাতহিরের আয়াত পরিচিত==&lt;br /&gt;
২২ তম পারায় সূরা আহযাবের ৩৩নং আয়াত। আয়াতটি আহলে বাইত (আ.) সম্পর্কে এবং মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।&lt;br /&gt;
শিয়াদের দৃষ্টিতে এবং আহলে সুন্নাতের অনেকের মতে আহলে বাইত হল, মুহাম্মাদ (স.), আলী (আ.), ফাতেমা (সা. আ.), হাসান (আ.) ও হুসাইন (আ.)-এর জন্য ‘ইসমে খাস’। শিয়া রেওয়ায়েতসমূহ ও আহলে সুন্নতের কিছু কিছু রেওয়ায়েতে বিষয়টির সমর্থন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
তাতহিরের আয়াতের (৩৩নং আয়াতের) আগে ও পরের অংশ নবিপত্নীগণ প্রসঙ্গে হলেও মুফাসসিরগণের একটি বড় অংশ নবিপত্নীগণকে আহলে বাইতের (আ.) অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন না; কেননা নবির (সা.) স্ত্রীগণকে সম্বোধন করা আয়াতে রয়েছে তালাক ও শাস্তির সতর্কবার্তা এবং গৃহের ভেতর অবস্থানের নির্দেশ, অন্যদিকে তাতহিরের (পবিত্রতার ঘোষণা) আয়াতের সম্বোধন হচ্ছে সম্মানের সাথে। আবার ৭টি আয়াতে ব্যবহৃত সর্বনামগুলো হল স্ত্রীবাচক অথচ তাতহিরের আয়াতে যে দু’টি সর্বনাম ব্যবহার করা হয়েছে উভয়ই পুংবাচক।&lt;br /&gt;
কারো কারো মতে যদি নবিপত্নীগণ আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত হতেন তাহলে স্বয়ং নবিপত্নীগণ বা তাদের ঘনিষ্টজনদের কেউ না কেউ অবশ্যই বিষয়টি উল্লেখ করতেন। অথচ তাদের কেউই এ ফজিলতের প্রতি ইঙ্গিত করেন নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আয়াত==&lt;br /&gt;
{{inline quran|اِنَّما یُریدُ اللهُ لِیُذهِبَ عَنکُمُ الرِّجسَ اَهلَ البَیتِ وَ یُطَهِّرَکُم تَطهیرًا|translation=‘নিশ্চয়ই আল্লারহ ইরাদা হল তোমাদের থেকে সকল প্রকার অপবিত্রতা দূর করা এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখা।’}}&lt;br /&gt;
(আহযাব:৩৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আহলে বাইত শব্দের আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;quot;আহল&amp;quot; শব্দের (একটি) অর্থ হল আসক্তি। ‘বাইত’ অর্থ গৃহ; যেখানে মানুষ আশ্রয় নেয়। মুসলিম সংস্কৃতিতে আহল ও বাইত শব্দদ্বয়ের একসাথে ব্যবহার শিয়া এবং সুন্নি উভয়েরই নিকট খাস অর্থটির গণ্ডি আভিধানিক অর্থের চেয়ে বেশী সীমিত এবং নির্দিষ্ট কিছু লোকের জন্য অধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। শিয়ারা এ আয়াতে উল্লেখিত আহলে বাইত শব্দটিকে পাঁচ জনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি ‘ইসমে খাস’ বলে মনে করে।[১]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==নবিপত্নীগণের প্রসঙ্গে উল্লিখিত ৭ আয়াত==&lt;br /&gt;
আয়াতে তাতহির ঐ ৭ আয়াতের মাঝে এসেছে যেগুলোতে মহানবির (স.) স্ত্রীগণ সম্পর্কে বিভিন্ন বিধান বর্ণনা করা হচ্ছে। তাতহিরের আয়াতের পূর্বের ও পরের আয়াতগুলো মহানবির (স.) স্ত্রীগণ সম্পর্কে এবং এগুলোতে তাদেরকেই সম্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু মুফাসসিরগণ তাতহিরের আয়াতটি মহানবির (স.) স্ত্রীদের সাথে সম্পৃক্ত নয় বলে মত দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
* নবির (সা.) স্ত্রীগণকে সম্বোধন করা আয়াতগুলোতে রয়েছে তালাক ও শাস্তির সতর্কবার্তা এবং গৃহের ভেতর অবস্থানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে, অন্যদিকে তাতহিরের (পবিত্রতার ঘোষণা) আয়াতের সম্বোধন হচ্ছে সম্মানের সাথে।&lt;br /&gt;
* নবিপত্নীগণের দিকে ইঙ্গিত করা সকল সর্বনামগুলোই স্ত্রীবাচক, অথচ আয়াতে তাতহীরে ব্যবহৃত সর্বনামগুলো হলে পুংবাচক, আর দু’ধরনের সর্বনাম থেকে প্রমাণিত হয় যে, সর্বনামগুলো ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্বের দিকে প্রত্যাবর্তন করছে।&lt;br /&gt;
* কিছু কিছু গবেষকের মতে আহলে বাইত (আ.) হলেন মহানবির (স.) স্ত্রীগণ, আর এ বিষয়টি ছিল তাদের জন্য সম্মানের। কিন্তু মহানবির (স.) স্ত্রীগণ থেকে এমন কোন বর্ণনা আসেনি যে, তাদের একজনও এ উপাধি নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছেন এবং এ সম্মানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে গর্ব করেছেন। মুয়াবিয়া উম্মুল মু’মিনীনের ভাই (তার বোন উম্মে হাবিবা মহানবির (স.) স্ত্রী ছিলেন) হওয়ার কারণে গর্ব করতো, আর যদি তার বোন আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত হত তবে সে অবশ্যই তা উল্লেখ করত। অথচ এমন কিছু তার সম্পর্কে বর্ণিত হয়নি।[২]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সুন্নি আলেমগণের মত==&lt;br /&gt;
আহলে সুন্নতের আলেমদের অনেকে আহলে বাইত বলতে যে পাঞ্জাতনকে বোঝানো হয়েছে বিষয়টিকে সমর্থন করেছেন।&lt;br /&gt;
* প্রখ্যাত সুন্নি আলেম ওয়াহেদি আয়াতে তাতহীর মহানবি (স.), আলী (আ.), ফাতেমা (সা. আ.), হাসান (আ.) ও হুসাইন (আ.) এর শানে অবতীর্ণ হয়েছেন বলে মনে করেন। তার বিশ্বাস এক্ষেত্রে অন্য কেউ তাদের মাঝে অন্তর্ভুক্ত নয়।[৩]&lt;br /&gt;
* বিশিষ্ট সুন্নি মুহাদ্দিস সুয়ূতীর বর্ণনার ভিত্তিতে উষ্ট্রের (জামাল) যুদ্ধের পর হযরত আয়েশাকে হযরত আলী (আ.) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি উত্তরে বলেন: তোমরা কি আমার কাছে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করছো যে মহানবির (স.) সবচেয়ে প্রিয় মানুষ। আমি নিজেই দেখেছি যে, মহানবি (স.) আলী, ফাতেমা, হাসান ও হুসাইনকে একটি কাপড়ের নিচে একত্রিত করে বললেন: ‘হে আল্লাহ এরা আমার পরিবার (বংশ) ও আমার পৃষ্ঠপোষক এবং এদের থেকে সকল অপবিত্র দূরে সরিয়ে রাখো এবং সকল প্রকার অপবিত্রতা থেকে তাদেরকে পবিত্র রাখো।[৪] এ ঘটনা সহিহ মুসলিম, মুস্তাদরাকে হাকিম, সুনানে বায়হাকি গ্রন্থে হযরত আয়েশা থেকে বর্ণিত হয়েছে। অবশ্য বেশীরভাগ শিয়া মুফাসসির এ হাদীসটিকে উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাতহীরের আয়াত উম্মে সালামাহ’র গৃহে অবতীর্ণ হয়েছে বলে মনে করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও পড়ুন==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[fa:مقصود از اهل‌بیت در آیه تطهیر]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A4&amp;diff=206</id>
		<title>তাতহিরের আয়াতে উল্লিখিত আহলে বাইত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A4&amp;diff=206"/>
		<updated>2023-05-27T09:08:13Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: /* আয়াত */&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;তাতহিরের আয়াতে উল্লিখিত আহলে বাইত কারা? মহানবির (স.) পত্নীগণ কি এ আয়াতের অন্তর্ভুক্ত?&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তাতহিরের আয়াত পরিচিত==&lt;br /&gt;
২২ তম পারায় সূরা আহযাবের ৩৩নং আয়াত। আয়াতটি আহলে বাইত (আ.) সম্পর্কে এবং মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।&lt;br /&gt;
শিয়াদের দৃষ্টিতে এবং আহলে সুন্নাতের অনেকের মতে আহলে বাইত হল, মুহাম্মাদ (স.), আলী (আ.), ফাতেমা (সা. আ.), হাসান (আ.) ও হুসাইন (আ.)-এর জন্য ‘ইসমে খাস’। শিয়া রেওয়ায়েতসমূহ ও আহলে সুন্নতের কিছু কিছু রেওয়ায়েতে বিষয়টির সমর্থন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
তাতহিরের আয়াতের (৩৩নং আয়াতের) আগে ও পরের অংশ নবিপত্নীগণ প্রসঙ্গে হলেও মুফাসসিরগণের একটি বড় অংশ নবিপত্নীগণকে আহলে বাইতের (আ.) অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন না; কেননা নবির (সা.) স্ত্রীগণকে সম্বোধন করা আয়াতে রয়েছে তালাক ও শাস্তির সতর্কবার্তা এবং গৃহের ভেতর অবস্থানের নির্দেশ, অন্যদিকে তাতহিরের (পবিত্রতার ঘোষণা) আয়াতের সম্বোধন হচ্ছে সম্মানের সাথে। আবার ৭টি আয়াতে ব্যবহৃত সর্বনামগুলো হল স্ত্রীবাচক অথচ তাতহিরের আয়াতে যে দু’টি সর্বনাম ব্যবহার করা হয়েছে উভয়ই পুংবাচক।&lt;br /&gt;
কারো কারো মতে যদি নবিপত্নীগণ আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত হতেন তাহলে স্বয়ং নবিপত্নীগণ বা তাদের ঘনিষ্টজনদের কেউ না কেউ অবশ্যই বিষয়টি উল্লেখ করতেন। অথচ তাদের কেউই এ ফজিলতের প্রতি ইঙ্গিত করেন নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আয়াত==&lt;br /&gt;
{{inline quran|اِنَّما یُریدُ اللهُ لِیُذهِبَ عَنکُمُ الرِّجسَ اَهلَ البَیتِ وَ یُطَهِّرَکُم تَطهیرًا|translation=‘নিশ্চয়ই আল্লারহ ইরাদা হল তোমাদের থেকে সকল প্রকার অপবিত্রতা দূর করা এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখা।’}}(আহযাব:৩৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আহলে বাইত শব্দের আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;quot;আহল&amp;quot; শব্দের (একটি) অর্থ হল আসক্তি। ‘বাইত’ অর্থ গৃহ; যেখানে মানুষ আশ্রয় নেয়। মুসলিম সংস্কৃতিতে আহল ও বাইত শব্দদ্বয়ের একসাথে ব্যবহার শিয়া এবং সুন্নি উভয়েরই নিকট খাস অর্থটির গণ্ডি আভিধানিক অর্থের চেয়ে বেশী সীমিত এবং নির্দিষ্ট কিছু লোকের জন্য অধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। শিয়ারা এ আয়াতে উল্লেখিত আহলে বাইত শব্দটিকে পাঁচ জনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি ‘ইসমে খাস’ বলে মনে করে।[১]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==নবিপত্নীগণের প্রসঙ্গে উল্লিখিত ৭ আয়াত==&lt;br /&gt;
আয়াতে তাতহির ঐ ৭ আয়াতের মাঝে এসেছে যেগুলোতে মহানবির (স.) স্ত্রীগণ সম্পর্কে বিভিন্ন বিধান বর্ণনা করা হচ্ছে। তাতহিরের আয়াতের পূর্বের ও পরের আয়াতগুলো মহানবির (স.) স্ত্রীগণ সম্পর্কে এবং এগুলোতে তাদেরকেই সম্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু মুফাসসিরগণ তাতহিরের আয়াতটি মহানবির (স.) স্ত্রীদের সাথে সম্পৃক্ত নয় বলে মত দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
* নবির (সা.) স্ত্রীগণকে সম্বোধন করা আয়াতগুলোতে রয়েছে তালাক ও শাস্তির সতর্কবার্তা এবং গৃহের ভেতর অবস্থানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে, অন্যদিকে তাতহিরের (পবিত্রতার ঘোষণা) আয়াতের সম্বোধন হচ্ছে সম্মানের সাথে।&lt;br /&gt;
* নবিপত্নীগণের দিকে ইঙ্গিত করা সকল সর্বনামগুলোই স্ত্রীবাচক, অথচ আয়াতে তাতহীরে ব্যবহৃত সর্বনামগুলো হলে পুংবাচক, আর দু’ধরনের সর্বনাম থেকে প্রমাণিত হয় যে, সর্বনামগুলো ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্বের দিকে প্রত্যাবর্তন করছে।&lt;br /&gt;
* কিছু কিছু গবেষকের মতে আহলে বাইত (আ.) হলেন মহানবির (স.) স্ত্রীগণ, আর এ বিষয়টি ছিল তাদের জন্য সম্মানের। কিন্তু মহানবির (স.) স্ত্রীগণ থেকে এমন কোন বর্ণনা আসেনি যে, তাদের একজনও এ উপাধি নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছেন এবং এ সম্মানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে গর্ব করেছেন। মুয়াবিয়া উম্মুল মু’মিনীনের ভাই (তার বোন উম্মে হাবিবা মহানবির (স.) স্ত্রী ছিলেন) হওয়ার কারণে গর্ব করতো, আর যদি তার বোন আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত হত তবে সে অবশ্যই তা উল্লেখ করত। অথচ এমন কিছু তার সম্পর্কে বর্ণিত হয়নি।[২]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সুন্নি আলেমগণের মত==&lt;br /&gt;
আহলে সুন্নতের আলেমদের অনেকে আহলে বাইত বলতে যে পাঞ্জাতনকে বোঝানো হয়েছে বিষয়টিকে সমর্থন করেছেন।&lt;br /&gt;
* প্রখ্যাত সুন্নি আলেম ওয়াহেদি আয়াতে তাতহীর মহানবি (স.), আলী (আ.), ফাতেমা (সা. আ.), হাসান (আ.) ও হুসাইন (আ.) এর শানে অবতীর্ণ হয়েছেন বলে মনে করেন। তার বিশ্বাস এক্ষেত্রে অন্য কেউ তাদের মাঝে অন্তর্ভুক্ত নয়।[৩]&lt;br /&gt;
* বিশিষ্ট সুন্নি মুহাদ্দিস সুয়ূতীর বর্ণনার ভিত্তিতে উষ্ট্রের (জামাল) যুদ্ধের পর হযরত আয়েশাকে হযরত আলী (আ.) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি উত্তরে বলেন: তোমরা কি আমার কাছে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করছো যে মহানবির (স.) সবচেয়ে প্রিয় মানুষ। আমি নিজেই দেখেছি যে, মহানবি (স.) আলী, ফাতেমা, হাসান ও হুসাইনকে একটি কাপড়ের নিচে একত্রিত করে বললেন: ‘হে আল্লাহ এরা আমার পরিবার (বংশ) ও আমার পৃষ্ঠপোষক এবং এদের থেকে সকল অপবিত্র দূরে সরিয়ে রাখো এবং সকল প্রকার অপবিত্রতা থেকে তাদেরকে পবিত্র রাখো।[৪] এ ঘটনা সহিহ মুসলিম, মুস্তাদরাকে হাকিম, সুনানে বায়হাকি গ্রন্থে হযরত আয়েশা থেকে বর্ণিত হয়েছে। অবশ্য বেশীরভাগ শিয়া মুফাসসির এ হাদীসটিকে উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাতহীরের আয়াত উম্মে সালামাহ’র গৃহে অবতীর্ণ হয়েছে বলে মনে করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও পড়ুন==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[fa:مقصود از اهل‌بیت در آیه تطهیر]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A4&amp;diff=205</id>
		<title>তাতহিরের আয়াতে উল্লিখিত আহলে বাইত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A4&amp;diff=205"/>
		<updated>2023-05-27T09:08:00Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: /* আয়াত */&lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;তাতহিরের আয়াতে উল্লিখিত আহলে বাইত কারা? মহানবির (স.) পত্নীগণ কি এ আয়াতের অন্তর্ভুক্ত?&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তাতহিরের আয়াত পরিচিত==&lt;br /&gt;
২২ তম পারায় সূরা আহযাবের ৩৩নং আয়াত। আয়াতটি আহলে বাইত (আ.) সম্পর্কে এবং মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।&lt;br /&gt;
শিয়াদের দৃষ্টিতে এবং আহলে সুন্নাতের অনেকের মতে আহলে বাইত হল, মুহাম্মাদ (স.), আলী (আ.), ফাতেমা (সা. আ.), হাসান (আ.) ও হুসাইন (আ.)-এর জন্য ‘ইসমে খাস’। শিয়া রেওয়ায়েতসমূহ ও আহলে সুন্নতের কিছু কিছু রেওয়ায়েতে বিষয়টির সমর্থন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
তাতহিরের আয়াতের (৩৩নং আয়াতের) আগে ও পরের অংশ নবিপত্নীগণ প্রসঙ্গে হলেও মুফাসসিরগণের একটি বড় অংশ নবিপত্নীগণকে আহলে বাইতের (আ.) অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন না; কেননা নবির (সা.) স্ত্রীগণকে সম্বোধন করা আয়াতে রয়েছে তালাক ও শাস্তির সতর্কবার্তা এবং গৃহের ভেতর অবস্থানের নির্দেশ, অন্যদিকে তাতহিরের (পবিত্রতার ঘোষণা) আয়াতের সম্বোধন হচ্ছে সম্মানের সাথে। আবার ৭টি আয়াতে ব্যবহৃত সর্বনামগুলো হল স্ত্রীবাচক অথচ তাতহিরের আয়াতে যে দু’টি সর্বনাম ব্যবহার করা হয়েছে উভয়ই পুংবাচক।&lt;br /&gt;
কারো কারো মতে যদি নবিপত্নীগণ আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত হতেন তাহলে স্বয়ং নবিপত্নীগণ বা তাদের ঘনিষ্টজনদের কেউ না কেউ অবশ্যই বিষয়টি উল্লেখ করতেন। অথচ তাদের কেউই এ ফজিলতের প্রতি ইঙ্গিত করেন নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আয়াত==&lt;br /&gt;
{{inline quran|اِنَّما یُریدُ اللهُ لِیُذهِبَ عَنکُمُ الرِّجسَ اَهلَ البَیتِ وَ یُطَهِّرَکُم تَطهیرًا|translation=‘নিশ্চয়ই আল্লারহ ইরাদা হল তোমাদের থেকে সকল প্রকার অপবিত্রতা দূর করা এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখা।’}} (আহযাব:৩৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আহলে বাইত শব্দের আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;quot;আহল&amp;quot; শব্দের (একটি) অর্থ হল আসক্তি। ‘বাইত’ অর্থ গৃহ; যেখানে মানুষ আশ্রয় নেয়। মুসলিম সংস্কৃতিতে আহল ও বাইত শব্দদ্বয়ের একসাথে ব্যবহার শিয়া এবং সুন্নি উভয়েরই নিকট খাস অর্থটির গণ্ডি আভিধানিক অর্থের চেয়ে বেশী সীমিত এবং নির্দিষ্ট কিছু লোকের জন্য অধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। শিয়ারা এ আয়াতে উল্লেখিত আহলে বাইত শব্দটিকে পাঁচ জনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি ‘ইসমে খাস’ বলে মনে করে।[১]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==নবিপত্নীগণের প্রসঙ্গে উল্লিখিত ৭ আয়াত==&lt;br /&gt;
আয়াতে তাতহির ঐ ৭ আয়াতের মাঝে এসেছে যেগুলোতে মহানবির (স.) স্ত্রীগণ সম্পর্কে বিভিন্ন বিধান বর্ণনা করা হচ্ছে। তাতহিরের আয়াতের পূর্বের ও পরের আয়াতগুলো মহানবির (স.) স্ত্রীগণ সম্পর্কে এবং এগুলোতে তাদেরকেই সম্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু মুফাসসিরগণ তাতহিরের আয়াতটি মহানবির (স.) স্ত্রীদের সাথে সম্পৃক্ত নয় বলে মত দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
* নবির (সা.) স্ত্রীগণকে সম্বোধন করা আয়াতগুলোতে রয়েছে তালাক ও শাস্তির সতর্কবার্তা এবং গৃহের ভেতর অবস্থানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে, অন্যদিকে তাতহিরের (পবিত্রতার ঘোষণা) আয়াতের সম্বোধন হচ্ছে সম্মানের সাথে।&lt;br /&gt;
* নবিপত্নীগণের দিকে ইঙ্গিত করা সকল সর্বনামগুলোই স্ত্রীবাচক, অথচ আয়াতে তাতহীরে ব্যবহৃত সর্বনামগুলো হলে পুংবাচক, আর দু’ধরনের সর্বনাম থেকে প্রমাণিত হয় যে, সর্বনামগুলো ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্বের দিকে প্রত্যাবর্তন করছে।&lt;br /&gt;
* কিছু কিছু গবেষকের মতে আহলে বাইত (আ.) হলেন মহানবির (স.) স্ত্রীগণ, আর এ বিষয়টি ছিল তাদের জন্য সম্মানের। কিন্তু মহানবির (স.) স্ত্রীগণ থেকে এমন কোন বর্ণনা আসেনি যে, তাদের একজনও এ উপাধি নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছেন এবং এ সম্মানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে গর্ব করেছেন। মুয়াবিয়া উম্মুল মু’মিনীনের ভাই (তার বোন উম্মে হাবিবা মহানবির (স.) স্ত্রী ছিলেন) হওয়ার কারণে গর্ব করতো, আর যদি তার বোন আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত হত তবে সে অবশ্যই তা উল্লেখ করত। অথচ এমন কিছু তার সম্পর্কে বর্ণিত হয়নি।[২]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সুন্নি আলেমগণের মত==&lt;br /&gt;
আহলে সুন্নতের আলেমদের অনেকে আহলে বাইত বলতে যে পাঞ্জাতনকে বোঝানো হয়েছে বিষয়টিকে সমর্থন করেছেন।&lt;br /&gt;
* প্রখ্যাত সুন্নি আলেম ওয়াহেদি আয়াতে তাতহীর মহানবি (স.), আলী (আ.), ফাতেমা (সা. আ.), হাসান (আ.) ও হুসাইন (আ.) এর শানে অবতীর্ণ হয়েছেন বলে মনে করেন। তার বিশ্বাস এক্ষেত্রে অন্য কেউ তাদের মাঝে অন্তর্ভুক্ত নয়।[৩]&lt;br /&gt;
* বিশিষ্ট সুন্নি মুহাদ্দিস সুয়ূতীর বর্ণনার ভিত্তিতে উষ্ট্রের (জামাল) যুদ্ধের পর হযরত আয়েশাকে হযরত আলী (আ.) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি উত্তরে বলেন: তোমরা কি আমার কাছে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করছো যে মহানবির (স.) সবচেয়ে প্রিয় মানুষ। আমি নিজেই দেখেছি যে, মহানবি (স.) আলী, ফাতেমা, হাসান ও হুসাইনকে একটি কাপড়ের নিচে একত্রিত করে বললেন: ‘হে আল্লাহ এরা আমার পরিবার (বংশ) ও আমার পৃষ্ঠপোষক এবং এদের থেকে সকল অপবিত্র দূরে সরিয়ে রাখো এবং সকল প্রকার অপবিত্রতা থেকে তাদেরকে পবিত্র রাখো।[৪] এ ঘটনা সহিহ মুসলিম, মুস্তাদরাকে হাকিম, সুনানে বায়হাকি গ্রন্থে হযরত আয়েশা থেকে বর্ণিত হয়েছে। অবশ্য বেশীরভাগ শিয়া মুফাসসির এ হাদীসটিকে উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাতহীরের আয়াত উম্মে সালামাহ’র গৃহে অবতীর্ণ হয়েছে বলে মনে করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও পড়ুন==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[fa:مقصود از اهل‌بیت در آیه تطهیر]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A4&amp;diff=204</id>
		<title>তাতহিরের আয়াতে উল্লিখিত আহলে বাইত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A4&amp;diff=204"/>
		<updated>2023-05-27T09:07:37Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;তাতহিরের আয়াতে উল্লিখিত আহলে বাইত কারা? মহানবির (স.) পত্নীগণ কি এ আয়াতের অন্তর্ভুক্ত?&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তাতহিরের আয়াত পরিচিত==&lt;br /&gt;
২২ তম পারায় সূরা আহযাবের ৩৩নং আয়াত। আয়াতটি আহলে বাইত (আ.) সম্পর্কে এবং মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।&lt;br /&gt;
শিয়াদের দৃষ্টিতে এবং আহলে সুন্নাতের অনেকের মতে আহলে বাইত হল, মুহাম্মাদ (স.), আলী (আ.), ফাতেমা (সা. আ.), হাসান (আ.) ও হুসাইন (আ.)-এর জন্য ‘ইসমে খাস’। শিয়া রেওয়ায়েতসমূহ ও আহলে সুন্নতের কিছু কিছু রেওয়ায়েতে বিষয়টির সমর্থন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
তাতহিরের আয়াতের (৩৩নং আয়াতের) আগে ও পরের অংশ নবিপত্নীগণ প্রসঙ্গে হলেও মুফাসসিরগণের একটি বড় অংশ নবিপত্নীগণকে আহলে বাইতের (আ.) অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন না; কেননা নবির (সা.) স্ত্রীগণকে সম্বোধন করা আয়াতে রয়েছে তালাক ও শাস্তির সতর্কবার্তা এবং গৃহের ভেতর অবস্থানের নির্দেশ, অন্যদিকে তাতহিরের (পবিত্রতার ঘোষণা) আয়াতের সম্বোধন হচ্ছে সম্মানের সাথে। আবার ৭টি আয়াতে ব্যবহৃত সর্বনামগুলো হল স্ত্রীবাচক অথচ তাতহিরের আয়াতে যে দু’টি সর্বনাম ব্যবহার করা হয়েছে উভয়ই পুংবাচক।&lt;br /&gt;
কারো কারো মতে যদি নবিপত্নীগণ আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত হতেন তাহলে স্বয়ং নবিপত্নীগণ বা তাদের ঘনিষ্টজনদের কেউ না কেউ অবশ্যই বিষয়টি উল্লেখ করতেন। অথচ তাদের কেউই এ ফজিলতের প্রতি ইঙ্গিত করেন নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আয়াত==&lt;br /&gt;
{{inline quran|اِنَّما یُریدُ اللهُ لِیُذهِبَ عَنکُمُ الرِّجسَ اَهلَ البَیتِ وَ یُطَهِّرَکُم تَطهیرًا|translation=‘নিশ্চয়ই আল্লারহ ইরাদা হল তোমাদের থেকে সকল প্রকার অপবিত্রতা দূর করা এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখা।’}} (আহযাব : ৩৩)&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আহলে বাইত শব্দের আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;quot;আহল&amp;quot; শব্দের (একটি) অর্থ হল আসক্তি। ‘বাইত’ অর্থ গৃহ; যেখানে মানুষ আশ্রয় নেয়। মুসলিম সংস্কৃতিতে আহল ও বাইত শব্দদ্বয়ের একসাথে ব্যবহার শিয়া এবং সুন্নি উভয়েরই নিকট খাস অর্থটির গণ্ডি আভিধানিক অর্থের চেয়ে বেশী সীমিত এবং নির্দিষ্ট কিছু লোকের জন্য অধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। শিয়ারা এ আয়াতে উল্লেখিত আহলে বাইত শব্দটিকে পাঁচ জনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি ‘ইসমে খাস’ বলে মনে করে।[১]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==নবিপত্নীগণের প্রসঙ্গে উল্লিখিত ৭ আয়াত==&lt;br /&gt;
আয়াতে তাতহির ঐ ৭ আয়াতের মাঝে এসেছে যেগুলোতে মহানবির (স.) স্ত্রীগণ সম্পর্কে বিভিন্ন বিধান বর্ণনা করা হচ্ছে। তাতহিরের আয়াতের পূর্বের ও পরের আয়াতগুলো মহানবির (স.) স্ত্রীগণ সম্পর্কে এবং এগুলোতে তাদেরকেই সম্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু মুফাসসিরগণ তাতহিরের আয়াতটি মহানবির (স.) স্ত্রীদের সাথে সম্পৃক্ত নয় বলে মত দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
* নবির (সা.) স্ত্রীগণকে সম্বোধন করা আয়াতগুলোতে রয়েছে তালাক ও শাস্তির সতর্কবার্তা এবং গৃহের ভেতর অবস্থানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে, অন্যদিকে তাতহিরের (পবিত্রতার ঘোষণা) আয়াতের সম্বোধন হচ্ছে সম্মানের সাথে।&lt;br /&gt;
* নবিপত্নীগণের দিকে ইঙ্গিত করা সকল সর্বনামগুলোই স্ত্রীবাচক, অথচ আয়াতে তাতহীরে ব্যবহৃত সর্বনামগুলো হলে পুংবাচক, আর দু’ধরনের সর্বনাম থেকে প্রমাণিত হয় যে, সর্বনামগুলো ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্বের দিকে প্রত্যাবর্তন করছে।&lt;br /&gt;
* কিছু কিছু গবেষকের মতে আহলে বাইত (আ.) হলেন মহানবির (স.) স্ত্রীগণ, আর এ বিষয়টি ছিল তাদের জন্য সম্মানের। কিন্তু মহানবির (স.) স্ত্রীগণ থেকে এমন কোন বর্ণনা আসেনি যে, তাদের একজনও এ উপাধি নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছেন এবং এ সম্মানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে গর্ব করেছেন। মুয়াবিয়া উম্মুল মু’মিনীনের ভাই (তার বোন উম্মে হাবিবা মহানবির (স.) স্ত্রী ছিলেন) হওয়ার কারণে গর্ব করতো, আর যদি তার বোন আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত হত তবে সে অবশ্যই তা উল্লেখ করত। অথচ এমন কিছু তার সম্পর্কে বর্ণিত হয়নি।[২]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সুন্নি আলেমগণের মত==&lt;br /&gt;
আহলে সুন্নতের আলেমদের অনেকে আহলে বাইত বলতে যে পাঞ্জাতনকে বোঝানো হয়েছে বিষয়টিকে সমর্থন করেছেন।&lt;br /&gt;
* প্রখ্যাত সুন্নি আলেম ওয়াহেদি আয়াতে তাতহীর মহানবি (স.), আলী (আ.), ফাতেমা (সা. আ.), হাসান (আ.) ও হুসাইন (আ.) এর শানে অবতীর্ণ হয়েছেন বলে মনে করেন। তার বিশ্বাস এক্ষেত্রে অন্য কেউ তাদের মাঝে অন্তর্ভুক্ত নয়।[৩]&lt;br /&gt;
* বিশিষ্ট সুন্নি মুহাদ্দিস সুয়ূতীর বর্ণনার ভিত্তিতে উষ্ট্রের (জামাল) যুদ্ধের পর হযরত আয়েশাকে হযরত আলী (আ.) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি উত্তরে বলেন: তোমরা কি আমার কাছে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করছো যে মহানবির (স.) সবচেয়ে প্রিয় মানুষ। আমি নিজেই দেখেছি যে, মহানবি (স.) আলী, ফাতেমা, হাসান ও হুসাইনকে একটি কাপড়ের নিচে একত্রিত করে বললেন: ‘হে আল্লাহ এরা আমার পরিবার (বংশ) ও আমার পৃষ্ঠপোষক এবং এদের থেকে সকল অপবিত্র দূরে সরিয়ে রাখো এবং সকল প্রকার অপবিত্রতা থেকে তাদেরকে পবিত্র রাখো।[৪] এ ঘটনা সহিহ মুসলিম, মুস্তাদরাকে হাকিম, সুনানে বায়হাকি গ্রন্থে হযরত আয়েশা থেকে বর্ণিত হয়েছে। অবশ্য বেশীরভাগ শিয়া মুফাসসির এ হাদীসটিকে উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাতহীরের আয়াত উম্মে সালামাহ’র গৃহে অবতীর্ণ হয়েছে বলে মনে করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আরও পড়ুন==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[fa:مقصود از اهل‌بیت در آیه تطهیر]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A4&amp;diff=203</id>
		<title>তাতহিরের আয়াতে উল্লিখিত আহলে বাইত</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87_%E0%A6%89%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%96%E0%A6%BF%E0%A6%A4_%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A6%B2%E0%A7%87_%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%A4&amp;diff=203"/>
		<updated>2023-05-27T09:06:17Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;তাতহিরের আয়াতে উল্লিখিত আহলে বাইত কারা? মহানবির (স.) পত্নীগণ কি এ আয়াতের অন্তর্ভুক্ত?&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তাতহিরের আয়াত পরিচিত==&lt;br /&gt;
২২ তম পারায় সূরা আহযাবের ৩৩নং আয়াত। আয়াতটি আহলে বাইত (আ.) সম্পর্কে এবং মদিনায় অবতীর্ণ হয়েছে।&lt;br /&gt;
শিয়াদের দৃষ্টিতে এবং আহলে সুন্নাতের অনেকের মতে আহলে বাইত হল, মুহাম্মাদ (স.), আলী (আ.), ফাতেমা (সা. আ.), হাসান (আ.) ও হুসাইন (আ.)-এর জন্য ‘ইসমে খাস’। শিয়া রেওয়ায়েতসমূহ ও আহলে সুন্নতের কিছু কিছু রেওয়ায়েতে বিষয়টির সমর্থন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
তাতহিরের আয়াতের (৩৩নং আয়াতের) আগে ও পরের অংশ নবিপত্নীগণ প্রসঙ্গে হলেও মুফাসসিরগণের একটি বড় অংশ নবিপত্নীগণকে আহলে বাইতের (আ.) অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেন না; কেননা নবির (সা.) স্ত্রীগণকে সম্বোধন করা আয়াতে রয়েছে তালাক ও শাস্তির সতর্কবার্তা এবং গৃহের ভেতর অবস্থানের নির্দেশ, অন্যদিকে তাতহিরের (পবিত্রতার ঘোষণা) আয়াতের সম্বোধন হচ্ছে সম্মানের সাথে। আবার ৭টি আয়াতে ব্যবহৃত সর্বনামগুলো হল স্ত্রীবাচক অথচ তাতহিরের আয়াতে যে দু’টি সর্বনাম ব্যবহার করা হয়েছে উভয়ই পুংবাচক।&lt;br /&gt;
কারো কারো মতে যদি নবিপত্নীগণ আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত হতেন তাহলে স্বয়ং নবিপত্নীগণ বা তাদের ঘনিষ্টজনদের কেউ না কেউ অবশ্যই বিষয়টি উল্লেখ করতেন। অথচ তাদের কেউই এ ফজিলতের প্রতি ইঙ্গিত করেন নি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আয়াত==&lt;br /&gt;
{{inline quran|اِنَّما یُریدُ اللهُ لِیُذهِبَ عَنکُمُ الرِّجسَ اَهلَ البَیتِ وَ یُطَهِّرَکُم تَطهیرًا|translation=‘নিশ্চয়ই আল্লারহ ইরাদা হল তোমাদের থেকে সকল প্রকার অপবিত্রতা দূর করা এবং তোমাদেরকে পূর্ণরূপে পূত-পবিত্র রাখা।’ (আহযাব : ৩৩)}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আহলে বাইত শব্দের আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&amp;quot;আহল&amp;quot; শব্দের (একটি) অর্থ হল আসক্তি। ‘বাইত’ অর্থ গৃহ; যেখানে মানুষ আশ্রয় নেয়। মুসলিম সংস্কৃতিতে আহল ও বাইত শব্দদ্বয়ের একসাথে ব্যবহার শিয়া এবং সুন্নি উভয়েরই নিকট খাস অর্থটির গণ্ডি আভিধানিক অর্থের চেয়ে বেশী সীমিত এবং নির্দিষ্ট কিছু লোকের জন্য অধিক প্রসিদ্ধি লাভ করেছে। শিয়ারা এ আয়াতে উল্লেখিত আহলে বাইত শব্দটিকে পাঁচ জনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি ‘ইসমে খাস’ বলে মনে করে।[১]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==নবিপত্নীগণের প্রসঙ্গে উল্লিখিত ৭ আয়াত==&lt;br /&gt;
আয়াতে তাতহির ঐ ৭ আয়াতের মাঝে এসেছে যেগুলোতে মহানবির (স.) স্ত্রীগণ সম্পর্কে বিভিন্ন বিধান বর্ণনা করা হচ্ছে। তাতহিরের আয়াতের পূর্বের ও পরের আয়াতগুলো মহানবির (স.) স্ত্রীগণ সম্পর্কে এবং এগুলোতে তাদেরকেই সম্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু মুফাসসিরগণ তাতহিরের আয়াতটি মহানবির (স.) স্ত্রীদের সাথে সম্পৃক্ত নয় বলে মত দিয়েছেন।&lt;br /&gt;
* নবির (সা.) স্ত্রীগণকে সম্বোধন করা আয়াতগুলোতে রয়েছে তালাক ও শাস্তির সতর্কবার্তা এবং গৃহের ভেতর অবস্থানের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে, অন্যদিকে তাতহিরের (পবিত্রতার ঘোষণা) আয়াতের সম্বোধন হচ্ছে সম্মানের সাথে।&lt;br /&gt;
* নবিপত্নীগণের দিকে ইঙ্গিত করা সকল সর্বনামগুলোই স্ত্রীবাচক, অথচ আয়াতে তাতহীরে ব্যবহৃত সর্বনামগুলো হলে পুংবাচক, আর দু’ধরনের সর্বনাম থেকে প্রমাণিত হয় যে, সর্বনামগুলো ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিত্বের দিকে প্রত্যাবর্তন করছে।&lt;br /&gt;
* কিছু কিছু গবেষকের মতে আহলে বাইত (আ.) হলেন মহানবির (স.) স্ত্রীগণ, আর এ বিষয়টি ছিল তাদের জন্য সম্মানের। কিন্তু মহানবির (স.) স্ত্রীগণ থেকে এমন কোন বর্ণনা আসেনি যে, তাদের একজনও এ উপাধি নিজের ক্ষেত্রে ব্যবহার করেছেন এবং এ সম্মানের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে গর্ব করেছেন। মুয়াবিয়া উম্মুল মু’মিনীনের ভাই (তার বোন উম্মে হাবিবা মহানবির (স.) স্ত্রী ছিলেন) হওয়ার কারণে গর্ব করতো, আর যদি তার বোন আহলে বাইতের অন্তর্ভুক্ত হত তবে সে অবশ্যই তা উল্লেখ করত। অথচ এমন কিছু তার সম্পর্কে বর্ণিত হয়নি।[২]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সুন্নি আলেমগণের মত==&lt;br /&gt;
আহলে সুন্নতের আলেমদের অনেকে আহলে বাইত বলতে যে পাঞ্জাতনকে বোঝানো হয়েছে বিষয়টিকে সমর্থন করেছেন।&lt;br /&gt;
* প্রখ্যাত সুন্নি আলেম ওয়াহেদি আয়াতে তাতহীর মহানবি (স.), আলী (আ.), ফাতেমা (সা. আ.), হাসান (আ.) ও হুসাইন (আ.) এর শানে অবতীর্ণ হয়েছেন বলে মনে করেন। তার বিশ্বাস এক্ষেত্রে অন্য কেউ তাদের মাঝে অন্তর্ভুক্ত নয়।[৩]&lt;br /&gt;
* বিশিষ্ট সুন্নি মুহাদ্দিস সুয়ূতীর বর্ণনার ভিত্তিতে উষ্ট্রের (জামাল) যুদ্ধের পর হযরত আয়েশাকে হযরত আলী (আ.) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি উত্তরে বলেন: তোমরা কি আমার কাছে এমন ব্যক্তি সম্পর্কে প্রশ্ন করছো যে মহানবির (স.) সবচেয়ে প্রিয় মানুষ। আমি নিজেই দেখেছি যে, মহানবি (স.) আলী, ফাতেমা, হাসান ও হুসাইনকে একটি কাপড়ের নিচে একত্রিত করে বললেন: ‘হে আল্লাহ এরা আমার পরিবার (বংশ) ও আমার পৃষ্ঠপোষক এবং এদের থেকে সকল অপবিত্র দূরে সরিয়ে রাখো এবং সকল প্রকার অপবিত্রতা থেকে তাদেরকে পবিত্র রাখো।[৪] এ ঘটনা সহিহ মুসলিম, মুস্তাদরাকে হাকিম, সুনানে বায়হাকি গ্রন্থে হযরত আয়েশা থেকে বর্ণিত হয়েছে। অবশ্য বেশীরভাগ শিয়া মুফাসসির এ হাদীসটিকে উম্মে সালামাহ থেকে বর্ণনা করেছেন এবং তাতহীরের আয়াত উম্মে সালামাহ’র গৃহে অবতীর্ণ হয়েছে বলে মনে করেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==তথ্যসূত্র==&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[fa:مقصود از اهل‌بیت در آیه تطهیر]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0_(%E0%A6%B8.)_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B0_%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6_%E0%A6%AA%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE&amp;diff=202</id>
		<title>মহানবির (স.) উপর দরুদ পড়ার উপকারিতা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0_(%E0%A6%B8.)_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%B0_%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A6_%E0%A6%AA%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE&amp;diff=202"/>
		<updated>2023-05-27T08:42:40Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
&#039;&#039;&#039;মহানবি (স.) ও তাঁর বংশধরের উপর দরুদ পাঠের উপকারিতা কি, আমাদের দরুদের কোন প্রয়োজন কি তাঁদের রয়েছে?&#039;&#039;&#039;&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
মুহাম্মাদ (স.) ও তাঁর আল তথা বংশধরদের জন্য মহান প্রতিপালকের রহমত কামনা করা হল সালাওয়াত বা দরুদ। মূলতঃ সালাওয়াত হল ঐ মহান ব্যক্তিত্বদের জন্য উচ্চতর মাকাম কামনা করা; কেননা তাঁরা প্রতিটি মুহূর্তে অধিক পূর্ণতার দিকে ধাবমান। মহানবি (স.) বলেছেন: ‘হে আল্লাহ আমার  জ্ঞানকে বৃদ্ধি করে দাও’। সূরা মারিয়ামের ৭৬ নং আয়াতে বলা হয়েছে, হে আল্লাহ হেদায়েত প্রাপ্তদের হেদায়েতকে বৃদ্ধি করে দাও।[মুতাহারী, মুর্তাজা, ইনসানে কামেল, তেহরান, এন্তেশারাতে সাদরা, ১১তম সংস্করণ, ১৩৭৩ সৌরবর্ষ, পৃ. ৩৪৬; মাকারেম শিরাজি, নাসের, তাফসীরে নেমুনেহ, তেহরান, এন্তেশারাতে দারুল কুতবিল ইসলামিয়্যাহ, ২৫তম সংস্করণ, ১৩৬৯ সৌরবর্ষ, খণ্ড ১, পৃ. ৪৭; জাওয়াদি আমোলী, আব্দুল্লাহ, আদাবে ফানায়ে মোকাররেবান, কোম, মারকাজে নাশরে ইসরা, ১৩৮১ সৌরবর্ষ, পৃ ৮৯।]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
দরুদ পাঠের উপকারিতা&lt;br /&gt;
দরুদ পাঠে স্বয়ং দরুদ প্রেরণকারীর জন্যে রয়েছে বিভিন্ন উপকারিতা:&lt;br /&gt;
* দরুদ পাঠকারীর জন্য ফেরেশতারা সালাওয়াত ও সালাম পাঠায় এবং তার জন্য ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করে।&lt;br /&gt;
* মহান আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের কারণ হয়।&lt;br /&gt;
* মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হয়।&lt;br /&gt;
* মহানবির (স.) ঘনিষ্টতা অর্জিত হয়।&lt;br /&gt;
* গুনাহসমূহের কাফফারা হয়।&lt;br /&gt;
* দোয়া কবুল হয়।&lt;br /&gt;
* নেফাক ও কপটা দূর হয়।&lt;br /&gt;
* আমল পরিশুদ্ধ হয়।&lt;br /&gt;
* মহান প্রতিপালকের রহমত অবতীর্ণ হয়।&lt;br /&gt;
সৎকর্ম অধিক ভারী হওয়ার কারণ হয়।[আল-হুসাইনি আরদেকানী, আহমাদ বিন মুহাম্মাদ, শারহ ওয়া ফাযায়েলে সালাওয়াত, তেহরান, এন্তেশারাতে মীকাত, ৪র্থ সংস্করণ, ১৩৭৫ সৌরবর্ষ, পৃ. ৪৫। ]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তথ্যসূত্র&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[fa:فایده صلوات بر پیامبر(ص)]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A4_%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE&amp;diff=201</id>
		<title>নবু্য়ত ঘোষণার আগে মহানবির ধর্ম</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A7%81%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A4_%E0%A6%98%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%87_%E0%A6%AE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0_%E0%A6%A7%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AE&amp;diff=201"/>
		<updated>2023-05-27T08:40:18Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
নবুয়ত ঘোষণার আগে মহানবি (স.) কোন ধর্ম অনুসারী ছিলেন?&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
নবুয়ত ঘোষণার আগে মহানবি (স.) কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন এ বিষয়ে মুসলিম মনীষীগণ ভিন্ন মত পোষণ করেন; সেগুলো মধ্যে হযরত মুসা (আ.)-এর ধর্ম, হযরত ঈসা (আ.)-এর ধর্ম এবং দ্বীনে হানিফ তথা হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর শরিয়ত ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তবে এ ক্ষেত্রে সর্বজনসিদ্ধ বিষয়টি হল মহানবি (স.) বে’সাত তথা নবুয়ত ঘোষণার আগে তিনি (স.) একত্ববাদী ছিলেন এবং মূর্তিপূজা থেকে সর্বদা ছিলেন অসন্তুষ্ট। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
উল্লেখিত দাবীর পক্ষে নিম্নোক্ত দলীলাদি উপস্থাপিত হয়েছে:&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যে সকল লোকেরা পূর্ববর্তী নবিগণ (আ.)-এর জীবনী সম্পর্কে অবগত ছিল ইমাম আলী (আ.) তাদের সম্মুখে মহানবি (স.) যে শিরক ও গুনাহ থেকে পবিত্র ও মুক্ত ছিলেন বিষয়টি জোর কণ্ঠে বলতেন। [সাহিফায়ে আলাউইয়্যাহ, পৃ. ৩৪২ ও ৫০৩; বিহারুল আনওয়ার, খ. ১০, পৃ. ৪৫।] পাশাপাশি তাঁর (স.) এবং তাঁর খান্দানের (বংশ) একত্ববাদী হওয়ার বিষয়টিকে স্মরণ করতেন।[নাহজুল বালাগাহ, খোতবা নং ৯৪, ৯৬ ও ২১৪।] ইতিহাসের সাক্ষ্য ও বিভিন্ন রেওয়ায়েতের বর্ণনার ভিত্তিতে মহানবি (স.)-এর পূর্বপুরুষগণ ছিলেন একত্ববাদী এবং তাঁর সম্মানিত পিতামহ ছিলেন দ্বীনে হানিফ ও হযরত ইব্রাহিম (আ.)-এর অনুসারী।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কৈশোরে সিরিয়া সফরে বাহিরা নামক জনৈক খ্রিষ্টান পাদ্রির সাথে মহানবি (স.)-এর সাক্ষাত ঘটে। বাহিরা পাদ্রি কিশোর মুহাম্মাদের চেহারায় নবুয়্যতের নিদর্শন দেখতে পেয়ে তাঁকে পরীক্ষা করার জন্য লাত ও উজ্জা নামের দুই মূর্তির কসম দেন, তখন মুহাম্মাদ (স.) বাহিরাকে বলেন: ((لا تَسألنی بِهِما، فَوَ اللّه ما أبغضتُ شَیئَاً بُغضهما؛)) ঐ দু’য়ের (মূর্তির) কসম আমাকে দেবেন না, আল্লাহর কসম ঐ দু’য়ের চেয়ে বেশি আমি কোন কিছুকে ঘৃণি  করি না।[শারহুশ শিফা, খ. ২, পৃ. ২০৮; দেখুন ইবনে কাসীর, আস-সিরাতুন নাবাভিয়্যাহ, খ. ১, পৃ. ২৪৫।]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
ঐতিহাসিক গ্রন্থসমূহে নামায, রোজা ও হজ্জসহ যে সকল ইবাদত মহানবি (স.) নবুয়ত ঘোষণার আগে আঞ্জাম দিতেন সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। হেরা গুহায় ইবাদতে মশগুল হওয়া তাঁর (স.) বহুদিনের ইবাদী অভ্যাস হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে। মহানবি (স.)-এর হজ্জ ছিল মুশরিকদের হজ্জ থেকে আলাদ; তাদের হজ্জে ছিল শিরকের শ্লোগান। কিন্তু হজ্জে ইব্রাহিমীর সাথে তার হজ্জের আমলের মিল ছিল স্পষ্ট, যেমন আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করা।[শারহুশ শিফা, খ. ২, পৃ. ২০৯।]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[fa:دین پیامبر اسلام پیش از بعثت]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
	<entry>
		<id>https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%95%E0%A7%87_%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%BE&amp;diff=200</id>
		<title>আল্লাহকে জানার প্রয়োজনীয়তা</title>
		<link rel="alternate" type="text/html" href="https://bn.wikipasokh.com/index.php?title=%E0%A6%86%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%95%E0%A7%87_%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%B0_%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%BE&amp;diff=200"/>
		<updated>2023-05-27T08:37:42Z</updated>

		<summary type="html">&lt;p&gt;Zarvandi: &lt;/p&gt;
&lt;hr /&gt;
&lt;div&gt;{{question}}&lt;br /&gt;
প্রশ্ন: আল্লাহকে জানার প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব কি? আল্লাহ পরিচির প্রতি মনোনিবেশ না করলে পরিণতি কি হতে পারে?&lt;br /&gt;
{{question end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer}}&lt;br /&gt;
আল্লাহকে জানার প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে কালাম শাস্ত্রবিদগণ দু’টি কারণ উল্লেখ করেছেন; &lt;br /&gt;
*নবিগণ সত্যবাদী হলে পরকালীন শাস্তির সম্ভাবনা (সম্ভাব্য ক্ষতি রোধ করা)। &lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
*মানবজাতিকে যে সকল নিয়ামত মহান আল্লাহ দান করেছেন তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বাধ্যবাধকতা; আর এ বিষয়টি শুধুমাত্র নিয়ামতদাতা সম্পর্কে পরিচিত থাকার শর্তে সম্ভব (নিয়ামত দানকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা)। এছাড়া সমগ্র মানবেতিহাসে মহান আল্লাহর প্রতি মানুষের মনোযোগ এবং অস্তিত্বের উৎপত্তি সম্পর্কে জানার আগ্রহ, আল্লাহ সম্পর্কে জানার বিষয়টির গুরুত্ব বহুগুণে বাড়িয়ে দিয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আল্লাহ পরিচিতির গুরুত্ব==&lt;br /&gt;
অস্তিত্বের উৎপত্তি সম্পর্কে জানার আগ্রহ মানুষের কাছে বরাবরই গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া, ধর্মীয় শিক্ষার একটি বড় অংশ জুড়ে প্রতিপালকের বৈশিষ্ট্য এবং তাঁর সাথে মানুষ ও বিশ্বের সম্পর্কের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আল্লাহকে চেনার গুরুত্ব, মানুষের ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে আল্লাহ্ সম্পর্কে পরিচিতির প্রভাবের দিকটি বিবেচনা পূর্বক উত্থাপন করা যেতে পারে। নিঃসন্দেহে যে আল্লাহকে চেনে তার জীবনের সাথে আল্লাহর অস্তিত্বে বিশ্বাসী নয় এমন ব্যক্তির জীবনের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। একইভাবে আল্লাহতে বিশ্বাসী দু’জন লোকের জীবন -যাদের প্রত্যেকে মনে আল্লাহ সম্পর্কে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র রয়েছে- পরস্পরের সাথে তুলনা করলে মৌলিক পার্থক্য স্পষ্ট হয়। এ সবের কারণ হলো মহান আল্লাহর প্রতি মানুষের বিশ্বাস, জীবনের বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে তাঁর গুণাবলী সম্পর্কে মানুষের উপলব্ধি মানুষের উদ্দেশ্য, আগ্রহ, বিচার-বিবেচনা ও আচার-আচরণকে পূর্ণরূপে প্রভাবিত করে। এক কথায় তার জীবনকে অর্থবহ করে তোলে এবং তার জন্য বিশেষ ব্যক্তিত্ব ও স্বকীয়তা এনে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==আল্লাহকে জানার প্রয়োজনীয়তা==&lt;br /&gt;
ফিতরাতগতভাবে আল্লাহ পরিচিতি একটা স্তর পর্যন্ত মানুষের মাঝে বিদ্যমান। সহজাত এই পরিচিতি শুধু মানুষের মাঝে আল্লাহ পরিচিতি বৃদ্ধি পাওয়ার ক্ষেত্র তৈরি করে দেয়। আল্লাহ্ পরিচিতির পথে পদচারণা ও চিন্তার প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব তুলে ধরতে মুসলিম কালাম শাস্ত্রবিদগণ আল্লাহকে চেনার প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে বিভিন্ন যুক্ত প্রণয়ন করেছেন।[কালাম শাস্ত্রের কিছু কিছু গ্রন্থে ‘উজুবুন নাযার’ শিরোনামে এ সংশ্লিষ্ট আলোচনা উত্থাপিত হয়েছে। ইমামিয়া ও মু’তাযেলি কালাম শাস্ত্রবিদদের মতে, এই উজুব ও আবশ্যকতা বুদ্ধবৃত্তিভিত্তিক, আর আশআরিগণের দৃষ্টিতে শরিয়তগত উজুব। অধিক অবগতির জন্য দেখুন আল্লামা হিল্লি, কাশফুল মুরাদ, পৃ. ২৬০ ও ২৬১; আস-সুয়ূরী, জামালুদ্দীন মেকদাদ ইবনে আব্দুল্লাহ (ফাযেল মেকদাদ), ইরশাদুত তালেবীন ইলা নাহজুল মুস্তারশিদীন, পৃ. ১১-১১৩।]&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==সম্ভাব্য ক্ষতি রোধ করা==&lt;br /&gt;
যে ব্যক্তিই আল্লাহ কর্তৃক প্রেরিত নবির আবির্ভাব এবং আল্লাহকে উপাসনার প্রতি তাদের আমন্ত্রণ সম্পর্কে অবগত থাকে তার মনে এ সম্ভাবনা সৃষ্টি হয় যে, নবিগণের দাওয়াত সত্য হলে, নবিগণ যে কর্তব্য তার জন্য এনেছেন সেগুলোর উপর আমল না করার কারণে সে আজাব ও শাস্তির মুখোমুখি হবে; ফলে সে বড় ক্ষতি ও লোকসানের মুখে পড়বে। অপরদিকে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি ও জ্ঞানের দাবী হল, যতদূর সম্ভব ক্ষতি এবং শাস্তির মুখোমুখি হওয়া থেকে নিজেকে দূরে রাখা, তাই সে বিষয়ে যদি নিশ্চয়তা নয় শুধু সম্ভাবনাও থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
অতএব, প্রত্যেক মানুষের জন্য এ সম্ভাবনা রয়েছে যে, ধর্মের অনুসরণ না করার কারণে তাকে শাস্তি পেতে হবে। আর যেহেতু বুদ্ধিবৃত্তি শাস্তির মাধ্যমে যে ক্ষতির মুখোমুখি আমরা হতে পারি তা রোধ করার বিষয়টিকে আবশ্যক জ্ঞান করে, তাই তা মানুষকে এ নির্দেশনা দেয়, যেন মানুষ সৃষ্টিকর্তার সত্ত্বা ও তাঁর গুণাবলি সম্পর্কে গবেষণা ও চিন্তা করে; যাতে বাস্তবিক অর্থে যদি কোন স্রষ্টা থেকে থাকে এবং নবিগণের আমন্ত্রণ সত্য হয়ে থাকে, তবে তাদের অনুসরণের মাধ্যমে নিজেকে আল্লাহর আযাব থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
==নিয়ামত দানকারীর প্রতি কৃতজ্ঞতা==&lt;br /&gt;
নিঃসন্দেহে মানুষ তার জীবনে রংবেরঙের বিভিন্ন নিয়ামতের মাঝে ডুবে আছে। অপরদিকে মুনঈম (নিয়ামতদাতা)-এর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনকে বুদ্ধিবৃত্তি তথা মানুষের আকল জরুরি বলে জ্ঞান করে; অতএব, মানুষের জন্য আবশ্যক হলো, নিয়ামত প্রদানকারীর কৃতজ্ঞতা জানানো। আর যেহেতু কৃতজ্ঞতা স্বীকার, যাকে কৃতজ্ঞতা জানানো হবে তাকে চেনার উপর নির্ভরশীল, তাই মানুষের বুদ্ধিবৃত্তি নির্দেশ করে যেন প্রকৃত নিয়ামত দাতাকে (মহান স্রষ্টা) চেনার পথে আমরা পা বাড়াই।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
{{answer end}}&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
[[fa:ضرورت خداشناسی]]&lt;/div&gt;</summary>
		<author><name>Zarvandi</name></author>
	</entry>
</feed>