ফুরুয়ে দ্বীন (ধর্মের শাখাসমূহ)
ফুরুয়ে দ্বীন (ধর্মের শাখাসমূহ) কি কি?
ফুরুয়ে দ্বীন তথা ধর্মের শাখাগুলোর মধ্যে রয়েছে নামায, রোযা, হজ্জ, জিহাদ, খুমস, যাকাত, সৎকর্মের প্রতি আদেশ (আমর বিল মাʿরুফ), অসৎকর্ম থেকে বিরত রাখার নির্দেশ (নাহি আনিল মুনকার), আল্লাহর বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা (তাওয়াল্লা) এবং আল্লাহর শত্রুদের প্রতি ঘৃণা পোষণ (তাবাররা)।
ইসলামী সংস্কৃতিতে ইবাদত সংক্রান্ত আচার-আচরণ ও কর্মকাণ্ডের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশকে ধর্মের শাখাসমূহ (ফুরুয়ে দ্বীন) হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ফুরুয়ে দ্বীন ইসলাম ধর্মের আমলগত বা ব্যবহারিক দিকগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। উসুলে দ্বীনের (ধর্মের মূলনীতি) ন্যায় ফুরুয়ে দ্বীনের উপর অটল থাকাও ওয়াজীব তথা বাধ্যতামূলক।
অবস্থান
ফুরুয়ে দ্বীন বলতে সেই দায়িত্ব ও নিয়ম-নীতিকে বোঝায়, যেগুলো শরীয়তের বিধানদাতা তথা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন, মুকাল্লিফদের (শরীয়তী দৃষ্টিকোন থেকে কোন কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ) জন্য আচরণ ও কর্মের ক্ষেত্রে প্রণয়ন করেছেন।[১] ফুরুয়ে দ্বীনের উপর অটল থাকা ধর্মের মূলনীতির (উসুলে দ্বীনের) মতোই ওয়াজীব তথা অপরিহার্য। ফুরুয়ে দ্বীন এমন কিছু ব্যবহারিক দায়িত্ব ও কর্তব্যের সমষ্টি, যেগুলো মানুষের দুনিয়া ও আখিরাতের সুখ-শান্তি নিশ্চিত করার জন্য মহানবী (স) ওহির মাধ্যমে নিয়ে এসেছেন এবং প্রচার ও প্রসার ঘটিয়েছেন।
ধর্মের শাখাসমূহের (ফুরুয়ে দ্বীন) কোন কোনটি আল্লাহর সাথে বান্দার সম্পর্ককে নিয়ম-কানুন ও বিধিবিধান আকারে বর্ণনা করে এবং কর্তব্যগুলোকে তার সামনে তুলে ধরে; যেমন নামায, রোযা, এবং হজ্জের ন্যায় কর্তব্যসমূহসহ আরও কিছু কিছু কর্তব্য যা মানুষের একে অপরের প্রতি রয়েছে তা বিবেচনা করে মানব সম্পর্ককে নিয়ন্ত্রণ করে; যেমন জিহাদ, খুমস এবং বাণিজ্যিক লেনদেন।[২]
ইসলামী সংস্কৃতিতে ইবাদত সংক্রান্ত আচার-আচরণ ও কর্মকাণ্ডের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশকে ধর্মের শাখাসমূহ (ফুরুয়ে দ্বীন) হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। ফুরুয়ে দ্বীন ইসলাম ধর্মের আমলগত বা ব্যবহারিক দিকগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে। ইমামিয়া শিয়া মতবাদে ফুরুয়ে দ্বীনের তালিকায় নামায, রোযা, হজ্জ, জিহাদ, খুমস, যাকাত, সৎকর্মের প্রতি আদেশ (আমর বিল মাʿরুফ), অসৎকর্ম থেকে বিরত রাখার নির্দেশ (নাহি আনিল মুনকার), আল্লাহর বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা (তাওয়াল্লা) এবং আল্লাহর শত্রুদের প্রতি ঘৃণা পোষণ (তাবাররা) অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। তবে সুন্নি মাযহাবের নিকট এই শাখাগুলোর তেমন একটা সম্প্রসারণ ঘটেনি এবং এগুলোর উপর গুরুত্বারোপ করা হয় নি।[৩]
ফুরুয়ে দ্বীনের উদাহরণসমূহ
নামায
ইসলামী ধর্মে, ইবাদতগত দিক থেকে প্রত্যেক মুকাল্লিফের জন্য প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে নামায আদায় করা, যা দিনে পাঁচবার পালন করা হয়। এটি মুসলমান ব্যক্তিকে তার আকীদা ও ঈমানের বিষয়টি করিয়ে দেয়। নামায একজন মুসলিমের জন্য আধ্যাত্মিক শক্তি অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম, যা তাকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের উৎস মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সাথে সংযোগ স্থাপন করতে সাহায্য করে।[৪]
রোযা
রোযা হলো একটি ইসলামিক ইবাদত। রোযার ক্ষেত্রে আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের নৈকট্য হাসিলের উদ্দেশ্যে কিছু কিছু কাজ থেকে বিরত থাকা হয়, যেমন: ফজরের আযান হতে মাগরিবের আযান পর্যন্ত খাবার গ্রহণ ও পানাহার থেকে বিরত থাকা হয়। রোযা ফার্সি শব্দ, আরবিতে এটিকে ‘সাওম’ এবং ’সিয়াম’ শব্দ দ্বারা প্রকাশ করা হয়, যার অর্থ হচ্ছে, খাওয়া, পান করা, কথা বলা এবং সহবাস করা থেকে বিরত থাকা।
আত্মিক পরিশুদ্ধি এবং পরিশোধনের লক্ষ্যে রোযা রাখার বিষয়টি পূর্ববর্তী অনেক ধর্মে যেমন: মায়া, হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন ও মণীশীয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, এবং এটি অনেক প্রাচীন ধর্ম ও রীতিতে, যেমন মায়া, হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন এবং মণীশীয় ধর্মে প্রচলিত রয়েছে। রোযা ইসলাম ধর্মের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত হিসেবে বিবেচিত। হাদীসগুলোতে এটিকে ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি হিসেবে পরিচয় করানো হয়েছে।
হাদিসগুলোতে রোযার (বিশেষ করে রমজান মাসের রোযার) বিভিন্ন বস্তুগত এবং আধ্যাত্মিক ফজিলত ও উপকারিতার কথা বর্ণনা করা হয়েছে, উদাহরণস্বরূপ আমল গ্রহণযোগ্য হওয়া, দোয়া কবুল হওয়া, বেহেশতে প্রবেশ করা, আখেরাতে নেয়ামত ও পরকালের আযাব (আগুনে নিক্ষেপ থেকে মুক্তি) হতে পরিত্রাণ, যা রোযাদারদের উপর আল্লাহর বিশেষ দৃষ্টির বিষয়টি তুলে ধরে। এসব বর্ণনায় বলা হয়েছে, রোযাদারের ঘুম হচ্ছে ইবাদত, তার প্রতিটি শ্বাস প্রশ্বাস হচ্ছে আল্লাহর তসবীহ, এবং রোযাকে শরীরের যাকাত হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।[৫]
হজ্জ
ইসলামী লেখা এবং উৎসসমূহে বিশেষ করে ফিকহী সূত্রগুলোতে, সুনির্দিষ্ট কিছু ইবাদত ও আমল সম্পাদনের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে কাবা’র (বাইতুল্লাহিল হারাম) উদ্দেশ্যে যাত্রা করাকে হজ্জ বলে অভিহিত করা হয়েছে। কিছু কিছু ফকীহ’র মতে, হজের ফিকহী শব্দটি ফিকহী পরিভাষায়, হজ্জ বলতে কিছু আমলকে নির্দেশ করে, যেগুলো মক্কায় নির্দিষ্ট স্থানে সম্পাদিত হয়। হজ্জের রীতিনীতি ও আমলসমূহের সমষ্টিকে হজ্জের আনুষ্ঠানিকতা (মানাসেকে হাজ্জ) বলা হয়।
কুরআন শরীফে হজ্জ সম্পর্কিত বিভিন্ন আয়াত রয়েছে। হজ্জকে শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য ওয়াজীব, ধর্মের অন্যতম বৃহৎ নিদর্শন এবং সম্মান ও শ্রদ্ধার বলে গণ্য করা হয়েছে।[৬]
যাকাত (যাকাত)
পবিত্র কুরআনে ইসলাম ধর্মের অন্যতম প্রথম একটি নির্দেশ হিসেবে কয়েকবার নামায প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশের পাশাপাশি যাকাত প্রদানের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। যাকাতের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে ‘যা ক্রমশ বৃদ্ধি পায়’ বা ‘প্রবৃদ্ধি লাভ’ যা কুরআনেও স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। এটি একটি আধ্যাত্মিক পরিচ্ছন্নতা বা পরিশুদ্ধতা।
এ কারণে কুরআনের আয়াতগুলোর প্রথম ব্যাখ্যাগুলোর মধ্যে যাকাতকে অন্য সব ইবাদতের মতো একটি ইবাদত হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা সঠিক হওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে নিয়্যত ও আল্লাহর নৈকট্য হাসিলের শর্তের উপর।
যাইহোক, ব্যক্তিগত ইবাদতের দিকটি ছাড়াও যাকাতের একটি সামাজিক দিকও রয়েছে। যাকাতের সামাজিক দিকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যাকাত সামাজিকভাব সম্পদ বণ্টনের একটি মাধ্যম হিসেবে এবং মুসলিম জনসাধারণের সমষ্টিগত চাহিদাগুলো পূরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।[৭]
খুমস
পবিত্র কুরআনে খুমসের উল্লেখ করা হয়েছে যে, গনিমতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আহলে সুন্নতের ফিকহে, এই এক-পঞ্চমাংশ করকে শুধুমাত্র যুদ্ধের গনিমত এবং কয়েকটি বিশেষ ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ করা হয়েছে। তবে, বারো ইমামিয়া শিয়া ফিকহে উল্টো, বিভিন্ন হাদীসের মাধ্যমে কুরআনের আয়াতটিকে সম্প্রসারিত করা হয়েছে এবং বিভিন্ন বিষয়কে অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে। উক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে "উপার্জনের মুনাফা" ধারণাটি যা খুমসকে সাধারণ কর হিসেবে সর্বক্ষেত্রে ও সর্ব সময়ের জন্য প্রযোজ্য উল্লেখ করে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ক্ষেত্রে অন্তর্ভূক্ত করেছে; এই অর্থে যে, প্রত্যেক মুকাল্লিফ অবশ্যই তার এক বছরের উপার্জনকে সম্পদ হিসাব করবে এবং সারা বছর খরচ করার পর যা অবশিষ্ট থাকবে তার এক-পঞ্চমাংশকে খুমস হিসেবে প্রদান করবে।[৮]
জিহাদ
জিহাদ হচ্ছে আল্লাহর রাস্তায় বৈধ যুদ্ধ, যা ইসলামী ফিকহের একটি অধ্যায়। ধর্মীয় সূত্রসমূহে এই শব্দটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক অর্থটি হচ্ছে এর সাধারণ অর্থটিই। এটা হচ্ছে এক ধরনের বিশেষ প্রচেষ্টা অর্থাৎ ইসলাম প্রচার বা এর রক্ষার লক্ষ্যে নিজের জীবন, সম্পদ ও অন্যান্য যা কিছু আছে তা দিয়ে আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম করাই হচ্ছে জিহাদ।[৯]
আমর বিল মারুফ ও নাহি আনিল মুনকার
আমর বিল মারুফ (ভাল কাজ করার নির্দেশ দেওয়া) এবং নাহি আনিল মুনকার (খারাপ কাজ থেকে নিষেধ করা) দুটি পরিভাষা যা আল্লাহর কুরআনের প্রাচীন তাফসীরগুলোতে হযরত মুহাম্মাদ (স.) ও ইসলাম ধর্মের অনুসরণ এবং আল্লাহকে অস্বীকার ও রাসূলুল্লাহ (স.) ও তাঁর ধর্মকে অস্বীকার করতে নিষেধ করা হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে। বলা যেতে পারে যে, আমর বিল মারুফ হচ্ছে ধর্মের শিক্ষা ও ধর্মের রীতি অনুযায়ী যা গ্রহণযোগ্য ও পছন্দনীয় তা প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সক্রিয় পদক্ষেপ। আর, নাহি আনিল মুনকার হচ্ছে যা কিছু অগ্রহণযোগ্য ও অপছন্দনীয় তা ধ্বংস করার একটি প্রতিক্রিয়া।[১০]
তাওয়াল্লা ও তাবাররা
দুটি গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ’তাওয়াল্লা’ অর্থ আল্লাহর বন্ধুদের এবং ন্যায়বিচারের সমর্থকদের প্রতি ভালোবাসা পোষণ করা এবং ’তাবাররা’ অর্থ অত্যাচারী ও আল্লাহর শত্রুদের প্রতি ঘৃণা পোষণ করা। এই নীতিগুলি ন্যায়ের পক্ষ অবলম্বনকারীদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠা করতে সহায়ক এবং সমাজে অন্যায়ের নির্মূল করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।[১১]
তাবাররা মানে হলো আল্লাহর বন্ধুদের সাথে বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং তাঁর শত্রুদের সাথে ঘৃণামূলক সম্পর্ক তৈরি করা।[১২] কুরআনের অনেক আয়াতে তাওয়াল্লা ও তাবাররা উল্লেখিত হয়েছে, যেগুলো হতে পরবর্তীতে ফিকহ এবং কালামশাস্ত্রে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এই ধরণের আয়াতগুলো, শয়তান, কাফের, অ-মুমিন, যারা আল্লাহর ক্রোধের শিকার এবং যারা ধর্মের বিষয়ে মুমিনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে তাদের প্রতি তাওল্লা করতে নিষেধ এবং আল্লাহ, রাসূল (স.) ও মুমিনগণের প্রতি তাওল্লা করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।[১৩]
সম্পর্কিত নিবন্ধ
তথ্যসূত্র
- ↑ ফরহাং ফিকহে ফারসি, জীরে নজরে মাহমুদ হাশেমি শাহরুদি, কোম, মো'আসসাসায়ে দায়েরাতুল মাআরেফিল ফিকহিল ইসলামী, ১৩৮৭ শামসি, খ:৫, পৃ:৬৭৯।
- ↑ খাতিবি কোশকাক, মোহাম্মাদ ও হামকারান, ফরহাং শিয়া, কোম, জামজামে হেদায়াত, ১৩৮৬ শামসি, পৃ:৩৫৯।
- ↑ জামিয়ি আজ নাভেসান্দেগান, "ইসলাম", দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, তেহরান, মারকাজে দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, খ:৮, জিল মাদখাল।
- ↑ জামিয়ি আজ নাভেসান্দেগান, "ইসলাম", দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, তেহরান, মারকাজে দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, খ:৮, জিল মাদখাল।
- ↑ হোসেইনি আহক, মারইয়াম, "রোজেহ", দানেশনামায়ে জাহানে ইসলাম, তেহরান, বুনিয়াদে দায়েরাতুল মাআরেফে ইসলামী, ১৩৯৪ শামসি, খ:২০, জিল মাদখাল।
- ↑ হোসেইনি আহক, মারইয়াম, "হজ", দানেশনামায়ে জাহানে ইসলাম, তেহরান, বুনিয়াদে দায়েরাতুল মাআরেফে ইসলামী, ১৩৯৩ শামসি, খ:১২, জিল মাদখাল।
- ↑ জামিয়ি আজ নাভেসান্দেগান, "ইসলাম", দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, তেহরান, মারকাজে দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, খ:৮, জিল মাদখাল।
- ↑ জামিয়ি আজ নাভেসান্দেগান, "ইসলাম", দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, তেহরান, মারকাজে দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, খ:৮, জিল মাদখাল।
- ↑ সররামি, সাইফুল্লাহ ও সাঈদ এদালাতনেজাদ, "জিহাদ", দানেশনামায়ে জাহানে ইসলাম, তেহরান, বুনিয়াদে দায়েরাতুল মাআরেফে ইসলামী, ১৩৯৩ শামসি, খ:১১, জিল মাদখাল।
- ↑ জাবেরি-জাদে, আব্দুল আমির, "আমরে বে মারুফ ওয়া নহিয়ে আজ মোনকার", দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, তেহরান, মারকাজে দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, খ:১০, জিল মাদখাল।
- ↑ "মাফহুমে তাওয়াল্লি ওয়া তাবার্রি", পায়গাহে এত্তেলাআরাসানিয়ে দফতারে আয়াতুল্লাহ মাকারেম শিরাজি, এন্তেশার: ২১ আবান ১৪০২ শামসি।
- ↑ "তাওয়াল্লি ওয়া তাবার্রি", পায়গাহে জামেআয়ে উস্তাদে শাহিদ মরতেজা মুতাহহারি, এন্তেশার: ২১ আবান ১৪০২ শামসি।
- ↑ জাবেরি, আমির, "তাওয়াল্লা ওয়া তাবার", দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, তেহরান, দায়েরাতুল মাআরেফে বোজোর্গে ইসলামী, খ:১৬, জিল মাদখাল।