বিষয়বস্তুতে চলুন

ইসলাম ধর্মের মূলনীতি (উসুলে দ্বীন): সংশোধিত সংস্করণের মধ্যে পার্থক্য

(ابرابزار)
 
১৩ নং লাইন: ১৩ নং লাইন:
[[ইবনে তায়মিয়া’র]] (মৃত্যু: ৭২৮ হিজরি) মতো কিছু মুসলিম পণ্ডিত, যারা মূলত কালামশাস্ত্র, যুক্তিবিদ্যা এবং দর্শনশাস্ত্রকে ধর্ম ও দ্বীনদারির ক্ষেত্রে বিরোধী বলে মনে করেন, তারা এ প্রসঙ্গে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন,  এই কারণে যে, উসুলে দ্বীন কুরআন বা হাদিসের কোন পরিভাষা নয়, এরূপ পরিভাষার প্রবর্তনকে [[মহানবী (স.)]] এর শিক্ষার পরিপন্থী হিসেবে মনে করেন।  
[[ইবনে তায়মিয়া’র]] (মৃত্যু: ৭২৮ হিজরি) মতো কিছু মুসলিম পণ্ডিত, যারা মূলত কালামশাস্ত্র, যুক্তিবিদ্যা এবং দর্শনশাস্ত্রকে ধর্ম ও দ্বীনদারির ক্ষেত্রে বিরোধী বলে মনে করেন, তারা এ প্রসঙ্গে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেন,  এই কারণে যে, উসুলে দ্বীন কুরআন বা হাদিসের কোন পরিভাষা নয়, এরূপ পরিভাষার প্রবর্তনকে [[মহানবী (স.)]] এর শিক্ষার পরিপন্থী হিসেবে মনে করেন।  


উসুলে দ্বীন শব্দটির উৎপত্তি কখন ঘটেছে এবং কে এর নামকরণ করেছে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায় না। ইবনে নাদিমও উসুলে দ্বীন শিরোনামে আবু মুসা মুরদারের লেখা একটি গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেছেন। আর এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, হিজরি তৃতীয় শতাব্দীর প্রথম দিকে এই শব্দটি প্রচলিত এবং প্রতিষ্ঠিত ছিল।[১]
উসুলে দ্বীন শব্দটির উৎপত্তি কখন ঘটেছে এবং কে এর নামকরণ করেছে তা সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায় না। ইবনে নাদিমও উসুলে দ্বীন শিরোনামে আবু মুসা মুরদারের লেখা একটি গ্রন্থের কথা উল্লেখ করেছেন। আর এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে, হিজরি তৃতীয় শতাব্দীর প্রথম দিকে এই শব্দটি প্রচলিত এবং প্রতিষ্ঠিত ছিল।<ref>গযাশতে, নাসের, "উসূল উদ-দীন", দানেশনামায়ে ইরান, তেহরান, মারকায দায়েরাতুল মাআরিফে বোজুরগে ইসলামী, খ:৪, জিল মাদখাল।</ref>


== অবস্থান ও গুরুত্ব ==
== অবস্থান ও গুরুত্ব ==
trustworthy
১৫৯টি

সম্পাদনা